Daily Sunshine

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জাই দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

আগের দুই টেস্টে হার। সিরিজ বাঁচানোর আর সুযোগ ছিল না পাকিস্তানের। জোহানেসবার্গে সরফরাজ আহমেদের দল নেমেছিল মূলতঃ হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে। তবে তাদের ব্যর্থতার ষোলকলা পূরণ করিয়েই ছেড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টটি ১০৭ রানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান।

এই টেস্টে প্রথম ইনিংসটাই পিছিয়ে দেয় পাকিস্তানকে। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৬২ রানে আটকে দিলেও তারা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৮৫ রানে। জবাবে ৩০৩ রান তুলে সফরকারিদের সামনে ৩৮১ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় প্রোটিয়ারা।

তৃতীয় দিন শেষে অবশ্য পাকিস্তানের যে অবস্থা ছিল, তাতে এই লক্ষ্য পেরিয়ে যাওয়াও অসম্ভব মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ৩ উইকেটে ১৫৩ রান নিয়ে শুরু করা দলটি ২৭৩ রানের মধ্যেই গুটিয়ে গেছে।

আসাদ শফিক ৪৮ আর বাবর আজম ২১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। চতুর্থ দিনের দুই ওভার পেরুতেই বাবর আজম ২১ রান করে ফিরেন ডোয়াইন ওলিভারের শিকার হয়ে। তার পরের বলেই দলকে বিপদে ফেলে বোল্ড হন সরফরাজ আহমেদ (০)।

আসাদ শফিক অবশ্য হাফসেঞ্চুরি তুলে নিতে ভুল করেননি। তবে সেট হওয়ার পর ইনিংস বড় করে নেয়ার দায়িত্বটা পালন করতে পারেননি। ৬৫ রানে তিনিও ভারনন ফিলেন্ডারের বলে আউট হয়ে যান। পাকিস্তানের রান তখন ৬ উইকেটে ১৭৯।

স্বভাবতই লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা জয়ের দিকে দলকে নিয়ে যেতে পারেননি। সাত নাম্বারে নামা শাদাব খান একটা প্রান্ত ধরে লড়াই করেছেন। তবে ১১০ বল মোকাবেলায় ৭ বাউন্ডারিতে গড়া তার ৪৭ রানের হার না মানা ইনিংসটা দলের পরাজয় এড়াতে পারেননি।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন ভারনন ফিলেন্ডার আর ডোয়াইন অলিভার। ২টি উইকেট শিকার ডেল স্টেইনের।

সানশাইন অনলাইন/এন এ

জানুয়ারি ১৪
১৭:১৫ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীর শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে মাস্তুল আকৃতির মজবুত দুইটি পোল। প্রতিটি পোলের উপর রিং বসিয়ে তার চতুরদিকে বসানো হয়েছে উচ্চমানের এলইডি লাইট। আর সেই লাইটের আলোয় আলোকিত বিস্তৃত এলাকা। শুধু শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বর নয়, এভাবে মহানগরীর আরো গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি চত্বর আলোকিত হয় প্রতি

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সানশাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থগিত ছিল সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ কয়েক মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পায়নি দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী। অংশ নিতে পারেনি কোনো নিয়োগ পরীক্ষাতেও। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরির আবেদনে সুযোগ শেষ হয়ে যায় তাদের। তবে এ দুর্যোগকালীন

বিস্তারিত