Daily Sunshine

আলোচনায় আট, এগিয়ে শাহীন আক্তার রেণী

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে রাজশাহী জেলার একাধিক নারী নেত্রী এরই মধ্যে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। তারা এরই মধ্যে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও সাংসদদের সাথে লিয়াজো করতে শুরু করে দিয়েছে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের আটজন নেত্রী। তারা দীর্ঘ দিন থেকেই আওয়মী লীগের প্রান্তিক পর্যায়ের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং দলকে সুসংগঠিত করতে স্থানীয় নারীদেরকে একত্রিত করে আসছেন।
সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা আটজন নেত্রী হলেন, মহানগর মহীলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসমিন রেজা ফেন্সী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নিঘাত পারভীন, জেলা যুব মহিলালীগের সভপতি নার্গিস সুরাইয়া সুলতানা শেলী, কেন্দ্রীয় যুব মহিলালীগের সহসভাপতি আবিদা আঞ্জুম মিতা, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার, জেলা মহীলালীগের সভাপতি মরজিনা পারভীন, দশম সংসদো সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আক্তার জাহান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেণী।
এদের মধ্যে শাহীন আক্তার রেণী জাতিয় চার নেতার অন্যতম শহীদ কামারুজ্জামানে ছেলে ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সহধর্মিণী। আওয়ামী লীগের নেত্রীর পাশাপাশি তিনি স্থানীয়দের মাঝে একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিত। মূলত ২০০৮ সালের সিটি নির্বাচনের পর স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হন শাহীন আক্তার রেণী। স্বামীর সঙ্গে সমানতালে রাজশাহীতে আওযামী লীগের অবস্থান শক্ত করায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। বিশেষ করে দলের মধ্যে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও নারীদের সংগঠিত করার পেছনে তার বড় অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মীরা।
শাহীন আক্তার রেণী সর্বশেষ নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। সততা, যোগ্য ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড দিয়ে রাজশাহীর নারী নেত্রীদের মধ্যে তিনি এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। অনেকেই তাকে রাজশাহী নারী নেতৃত্বের আইকন হিসেবে অভিহিত করেন।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার বলেন, আমি সংরক্ষিত আসনের এমপি ছিলাম। একাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী জেলার সংসদীয় আসন ৩ অথবা ৪ থেকে নির্বাচন করতে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। তবে পাইনি। সে জন্য সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাইব। দল যোগ্য মনে করলে আমাকে দেবে।
আক্তার জাহান এমপি বলেন, আমি আবার মনোনয়ন চাইব। কারণ, আমি পাঁচ বছর যে কাজ করেছি তার কিছু অসম্পূর্ণ রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন করতে চাই। প্রথমবার এমপি হয়ে সবকিছু বুঝে উঠতে সময় লেগেছে। আরেকটা সুযোগ পেলে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে পারব।
নগর আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, শাহীন আক্তার রেণী বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার রাতে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও শাহীন আক্তার রেণী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তারা।
আওয়ামী লীগের ওই নেতা আরও বলেন, সংরক্ষিত আসনে এবার নতুন মুখ চায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। রাজশাহীতে যতগুলো নারী নেত্রী রয়েছেন তাদের মধ্যে জনপ্রিয়তায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন শাহীন আক্তার রেণী। এ জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পক্ষে থেকে সংরক্ষিত আসনে শাহীন আক্তার রেণীকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি উঠেছে। ফলে মনোনয়ন পাওয়ার আলোচনায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু বলেন, গত সিটি করপোরেশন ও সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীদের নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন শাহীন আক্তার রেণী। এছাড়া দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের পুত্রবধু। এ সব কারণে শাহীন আক্তার রেণীকে সংরক্ষিত আসনের এমপি করতে এবার জোরালো দাবি উঠেছে নগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। আমরা আশা করছি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার শাহীন আক্তার রেণীর দলীয় ত্যাগের বিষয়টি মূল্যায়ন করবেন।

এদিকে দৈনিক সানশাইনের কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এক প্রশ্নের জবাবে শাহীন আক্তার রেণী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবার তথ্য আছে। তিনি জানেন কে যোগ্য ও সৎ। কাকে দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব। সাংসদ হিসেবে জনগণের সেবা করার ইচ্ছা দলের সব নেতার মাঝেই থাকতে পারে তবে,  সংসদ সদস্য বা সংরক্ষিত আসনের সাংসদ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে দায়িত্ব দিবেন, তাকে আমিসহ দলের সকলে সহযোগীতা করবো।

জানুয়ারি ০৯
২১:৩৭ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

ডিগ্রী থাকলেও মিলছেনা যোগ্য চাকরি

ডিগ্রী থাকলেও মিলছেনা যোগ্য চাকরি

শাহ্জাদা মিলন: বাংলাদেশের অন্যতম বিভাগীয় শহর রাজশাহী। সিল্কসিটি, আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত সারা দেশে রাজশাহী। তবে এসব পরিচয় ছাপিয়ে রাজশাহী ‘শিক্ষা নগরী’ হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। অসংখ্য নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। এর সুফলে রাজশাহীতে বছর বছর বাড়তে ডিগ্রিধারী মানুষের সংখ্যা। তবে সেই অনুপাতে বাড়ছে না কর্মসংস্থান। রাজশাহীতে রয়েছে রাজশাহী

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সানশাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থগিত ছিল সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ কয়েক মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পায়নি দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী। অংশ নিতে পারেনি কোনো নিয়োগ পরীক্ষাতেও। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরির আবেদনে সুযোগ শেষ হয়ে যায় তাদের। তবে এ দুর্যোগকালীন

বিস্তারিত