সর্বশেষ সংবাদ :

১১ জন মিলেই বাংলাদেশ: ডমিঙ্গো

স্পোর্টস ডেস্ক: একটি ভালো দল তখনই তৈরি হয় যখন সেই দলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ভারসাম্য বলতে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই যেন সমানতালে পারফর্মার থাকে। যারা পরনির্ভরশীল না হয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মন্ত্র নিয়ে এগিয়ে যায়।
বাংলাদেশ ওয়ানডের বর্তমান স্কোয়াড রাসেল ডমিঙ্গোর কাছে সেই ভালো দলের চিরচেনা ছবি। যেখানে ভারসাম্যের চিত্রই যেন ফুটে ওঠে প্রবলভাবে। তাই সফল হওয়ার সুযোগ বেশি বলে মনে করেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ। বুধবার নিজ দলকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ডমিঙ্গো, ‘ওয়ানডে দল নিয়ে আমি খুব খুশি। আমাদের দলে ভারসাম্য রয়েছে এবং ব্যাটিংয়ে ভালো গভীরতা রয়েছে। আমাদের টপ অর্ডার অভিজ্ঞ এবং ভালো কিছু তরুণ ফাস্ট বোলাররা আছে। তাই আমরা একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল পেয়েছি, যা আমাদের এই সিরিজে অনেক আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে।’
এই ভারসাম্যপূর্ণ দলের চিত্রকে পূর্ণ করেন সাকিব আল হাসান, যার এই সফরে আসার কথা ছিল না। দল ঘোষণার পর বিসিবির কাছে বিশ্রাম চেয়েছিলেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে খেলার মতো অবস্থায় না থাকায় সরে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহ নাটকের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিমানে ওঠেন তিনি। দলের সেরা ক্রিকেটারকে পাওয়ায় খুশি ডমিঙ্গোও।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ বললেন, ‘সে আমাদের দলের ভারসাম্য এনে দিয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে দল গঠন করা সব সময়ই কঠিন। কারণ আপনাকে বাড়তি একজন বোলার খেলাতে হবে। নয়তো বাড়তি ব্যাটসম্যান নিতে হবে। তার মতো সামর্থ্যবান ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে পাওয়া সব সময়ই আনন্দের। এখানে এসে আগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। তার শক্তি, মনোভাব ও কাজের নৈতিকতার কারণে তাকে এখানে পেয়ে খুব ভালো হয়েছে।’
দক্ষিণ আফ্রিকায় সাফল্যের জন্য ডমিঙ্গো দলীয় পারফরম্যান্সের ওপর জোর দিয়েছেন। দলে সিনিয়ররা আছে বলেই দায়িত্ব বেশি, চ্যালেঞ্জ বেশি মানতে নারাজ তিনি। তার চোখে, দলের ১১ জন মিলেই বাংলাদেশ। তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে দলে সিনিয়র বা জুনিয়র বলতে কিছু নেই। আমি জানি কী কারণে কথাগুলো আসে। আমার কাছে ১১ জন মিলেই বাংলাদেশ। সিনিয়র, জুনিয়র নিয়ে অনেক আলোচনা শুনেছি। যেটা অনর্থক।’


প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২২ | সময়: ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ