Daily Sunshine

জননেতা লিটনকে আজ গণসংবর্ধনা দেবে নগর আ’লীগ

Share

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে অনুষ্ঠিত দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয় চলতি বছর ১৯ নভেম্বর (শুক্রবার)। সেই থেকে উচ্ছ্বাসে ভাসছে রাজশাহী। মহানগরী থেকে এ খুশির ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরাঞ্চলের গ্রামে। সেই ঢেউয়ের দোলা এখনো থামেনি। নেতাকর্মীরা ফুল হাতে নিয়ে ছুটে আসছে জননেতাকে ভালোবাসা জানাতে। সাধারণ মানুষ প্রাণের মানুষটিকে কাছে যেতে চায়। জানাতে চায় ভালোবাসা।
তাই, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে গণসংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন করেছেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ। শনিবার নগরীর সাহেব বাজারে বিকেল ৩টায় এ বর্ণিল গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার গণসংবর্ধনায় উপস্থিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
খায়রুজ্জামান লিটন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের বড় সন্তান। প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা রাজশাহীতে বিপুল উন্নয়ন দিয়েছেন। এবার রাজশাহীর মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণ করে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করলেন। রাজশাহীবাসী ও দলের নেতাকর্মীদের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার এ এক অনন্য উপহার। আমি তার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ।
এর আগে খায়রুজ্জামান লিটন দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। লিটন ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশনে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের জুলাইতে পুনরায় তিনি বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন।
খায়রুজ্জামান লিটন ১৯৫৯ সালের ১৪ আগস্ট রাজশাহী জেলার কাদিরগঞ্জে এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শহীদ কামারুজ্জামান ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ছিলেন মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর নৃশংস জেলহত্যার শিকার হওয়ার আগে কামারুজ্জামান বঙ্গবন্ধু সরকারের শিল্প মন্ত্রী ছিলেন।
লিটন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর পড়াশোনার জন্য কোলকাতায় গমন করেন। ১৯৭৪ সালে কোলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৭৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। ১৯৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রি নেন। ১৯৮৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক হন। ১৯৮৫ সালে তিনি তিনি বার কাউন্সিলের সদস্য হন।
খায়রুজ্জামান লিটন ১৯৮৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পর্যায়ক্রমে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ডিসেম্বর ১১
০৪:২৬ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]