Daily Sunshine

আন্দোলনের জেরে রাবি প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পরিবর্তন

Share

রাবি প্রতিনিধি: মানবিক দিক বিবেচনায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিজের মা ও বোনকে জরুরী প্রয়োজনে ছাত্রী হলে রাত্রীযাপনের অনুমতি দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর লিয়াকত আলী এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সান্ধ্য আইন পরিবর্তনসহ ১০দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এসময় দাবিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে তিনদিনের সময় নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো ছিলো- হলের ওয়াইফাই সমস্যার সমাধান করতে হবে, ডাইনিং-ক্যান্টিনের খাবারের মান বাড়াতে হবে, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও গেস্ট থাকার অনুমতি দিতে হবে, স্নাতকোত্তর পরীক্ষা শেষে দুই মাস হলে থাকার সুযোগ দিতে হবে, হলের খালা ও স্টাফদের ব্যবহার ভালো করতে হবে, হলের স্বাস্থ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, মশা-মাছি নিধনে ব্যবস্থা নিতে হবে, রিডিং রুমে শিক্ষার্থীদের পড়ার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, গণরুমের জন্য গণকিচেনের ব্যবস্থার পাশাপাশি ফ্রিজের ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনদিনের সময় শেষে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনায় আবাসিক ছাত্রীরা হলের নিয়ম মেনে শুধুমাত্র তাদের মা ও বোনকে হলে রাখতে পারবে। তবে হলে দীর্ঘদিন যাবত অতিথিকে রাখা যাবে না। অতিথিদের দুই-একদিন রাখলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আপত্তি থাকবে না।’
শিক্ষার্থীদের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, ‘এটি ১৯৭৩’র অ্যাক্টের সঙ্গে জড়িত। অফিশিয়ালি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমাদের কিছুটা সময় লাগবে। তবে শিক্ষার্থীরা এই বিষয়গুলো যেভাবে ভালো অনুভব করে সেটি বিবেচনা করা হবে।’
অন্যান্য দাবির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রীরা পড়াশোনার ক্ষেত্রে এক হল থেকে অন্য হলে যেতে পারবে। এছাড়া তাদের ওয়াইফাই সমস্যা, ডাইনিং-ক্যান্টিন খাবারের মানের সমস্যা, হল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, মশা-মাছির সমস্যাসহ যাবতীয় সমস্যা নিরসনে আমরা সচেষ্ট আছি।

নভেম্বর ২৪
০৬:৩৮ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]