সর্বশেষ সংবাদ :

অধরা হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজার

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: বাগমারা উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন ভাপবে বেড়েই চলেছে। বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এখানে ভোজ্য তেল, চিনি, আটা, ময়দা পেয়াজের দাম অসহনীয় মাত্রায় বেড়েছে। তবে চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বড়েছে খ৭াচা মরিচ সহ শাক সবজি ও অন্যান্য তরিতরকারির দাম।
স্থানীয় বাজারে বেড়েছে মুরগী ও মুগীর ডিমের দাম। সোমবার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ বাজার সহ তাহেরপুর, মোহনগঞ্জ, শিকদারী, হাটগাঙ্গোপাড়া, মচমইল সব বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, সয়াবিন ১৬০, সরিষা ১৮০, পিয়াজ ৬০ আদা ১৮০, আটা ৩৫ থেকে ৩৮, ময়দা ২৫, চিনি ৮৫ থেকে ৯০, মুগডাল ১৪০, বুটের ডাল ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এখানে দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা, বয়লার ১৬০ টাকা ও গরুরু গোস্তা ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তবে এসব বাজারে একই পন্য কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ব্যাপারে বিক্রেতারা জানান, দাম বাড়ার আগে যাদের কাছে পন্য মওজুদ ছিল তারা আগের দামে পন্য বিক্রি করতে পারছেন। আর যারা পরে বেশি দামে পন্য নিয়েছেন ত্রাা কিছুটা বেশি দামেই পণ্য বিক্রি করছেন।
স্থানীয় ভবানীগঞ্জ বাজারে কথা হয় ক্রেতা শহিদুল, নাদিরুজ্জামান মিলন, বেলাল উদ্দিন সহ ১০-১২ জন ক্রেতারা জানান, টিসিবি তেল চিনি ডাল সহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের বিক্রির ব্যবস্থা করলে বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আসবে।
এছাড়া স্থানীয় বাজারে বাজার দর নিয়ন্ত্রনে কোন মনিটরিং এর ব্যবস্থা ও দোকানে দোকানে কোন মূল্য তালিকা নেই বললেই চলে। এসব কারণে অনেক দোকানী ইচ্ছামত দাম আদায় করে ছাড়ছে। দোকানী সাইদুর রহমান ও মুকুল হোসেন জানান, আগের চেয়ে এখন কিছুটা বাড়তি দামে পণ্য কেনার কারণে কিছুটা বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে।
এছাড়া এ বাজারের হোটেল গুলোর খাবারের মানও একেবারে নিম্ন। সুযোগ মত তারা পচা বাসি খাবার ভালো খাবারের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করতে দ্বিধা করছে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক সুফিয়ান জানান, অচিইে ভবানীগঞ্জ সহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।


প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০২১ | সময়: ৫:০২ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ