Daily Sunshine

পবার সাত ইউনিয়নে নৌকা চান ৩২ জন

Share

স্টাফ রিপোর্টার: ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের তফসিল ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এ ধাপে সারাদেশে এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১০ টি পৌরসভায় ভোট হবে ২৮ নভেম্বর। সে লক্ষ্যে চলছে যাবতীয় প্রস্তুতি। এ নির্বাচনেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ পেতে রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলাসহ সারা দেশেই চলছে তোড়জোড়।
পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ সুত্র জানা গেছে, শুধু পবা উপজেলাতেই নৌকা পেতে আবেদন করেছেন ৩২ জন। যারমধ্যে দর্শনপাড়া ইউনিয়নে একজন, হরিপুর ইউনিয়নে দুইজন, পারিলা ইউনিয়নে সাত জন, হুজুরীপাড়া ইউনিয়নে তিনজন, হড়গ্রাম ইউনিয়নে চারজন, বড়গাছি ইউনিয়নে নয়জন, দামকুড়া ইউনিয়নে ছয়জন।
রাজশাহীতে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকানে দোকানে বইছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিশ্লেষণ। নড়েচড়ে উঠেছে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বাড়ি বাড়ি কুশল বিনিময়ও করছেন অনেকেই। প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমানতালে চলছে। এর পাশাপাশি চলছে দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের চলছে লবিং। এ ক্ষেত্রে নৌকা প্রতিক পেতেই জোরেশোরে চলছে দৌড়ঝাপ।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেও নির্বাচন ঘিরে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে প্রার্থীদের ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ দেখা গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ এলাকার ভোটারদের মাঝে দিয়েছেন আগাম প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে ভোটের মাঠে নিজেদের অনুকূলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন অনেকেই। তবে বর্তমানে দলীয় সমর্থন পেতে একই আসনে একাধিক প্রার্থীর পক্ষ থেকে চলছে নানারকম তদবির, রাজনৈতিক কার্যালয়গুলোও সরগরম হয়ে উঠেছে। দলীয় সমর্থন পাওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে ওইসব ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
এদিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার আটটি ইউনিয়নের মধ্যে সাতটি ইউনিয়নে তৃতীয় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই সাতটি ইউনিয়নে ৩২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশি। তবে এ ক্ষেত্রে দর্শনপাড়া ও হরিপুর ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশিরা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন। দর্শনপাড়া ইউনিয়নে নৌকার এককপ্রার্থী হলেন গতবারের নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান রাজ। আর হরিপুর ইউনিয়নে গতবারের নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান বজলে রেজবি আল হাসান মুঞ্জিল। হরিপুর ইউনিয়নে অন্য একজন নৌকা প্রত্যাশি হলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন তিনি জনবিচ্ছিন্ন। তাকে নৌকা দিলেও কেহ মেনে নিবেন না।
এছাড়াও দামকুড়া ইউনিয়নে নৌকার প্রত্যাশিরা হলেন, রফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মালেক পল্টু, ওয়াহেদুজ্জামান রিপন, রেজাউল করিম বাবু, ইয়াসিন আলী সরকার। হুজুরীপাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, ইকবাল আহমেদ ও এন্তাজ আলী। হড়গ্রাম ইউনিয়নে এ্যাড. আবু আসলাম, আকুল হোসেন, তাজুল ইসলাম ও ফারুক হোসেন। পারিলা ইউনিয়নে সোহরাব হোসেন, নবীবুর রহমান, সাইফুল বারী ভুলু, ফাহিমা বেগম, আব্দুস সালাম, আজিজুল হক, আসাদুল ইসলাম। বড়গাছী ইউনিয়নে এমদাদুল হক, শাহাদৎ হোসেন সাগর, মোজাফ্ফর হোসেন, মো. আব্দুল হাই, মুঞ্জুর মুর্শেদ মুক্তি, ফিরোজ আহমেদ রানা, এন্তাজ আলী, আয়নাল হক ও রফিকুল ইসলাম।
তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৪ নভেম্বর ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১১ নভেম্বর। ভোট গ্রহণ হবে ২৮ নভেম্বর।

অক্টোবর ১৮
০৫:০৩ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]