Daily Sunshine

তেল ও চিনির দাম আন্তর্জাতিক কারণে বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Share

সানমাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে দেশে পণ্যের দাম বাড়লে সরকারের কিছু করার থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তার মন্ত্রণালয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ‘প্রতিনিয়ত কাজ’ করে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু জিনিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে- যেমন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে কিছু করার থাকে না। “বাংলাদেশে তেলের দাম বেড়েছে, চিনির দাম বেড়েছে। এই পণ্যগুলোর দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে বলেই বাংলাদেশে তার প্রভাব পড়েছে।
“বাংলাদেশ মুক্তবাজার অর্থনীতির দেশ। সরকার সবাইকে তো ভর্তিুকি দিয়ে খাওয়াতে পারবে না। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কম দামে খাওয়ানোর জন্য আমরা টিসিবির মাধ্যমে চেষ্টা করি।” পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ তুলে ধরে টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশে পেঁয়াজের যে ঘাটতি আছে, তার ৯০ শতাংশ আসে ভারত থেকে। ভারতে বেড়ে গেলে তারা পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
“তখন আমাদের দেশে পেঁয়াজের দামে প্রভাবটা পড়ে। পেঁয়াজের অন্যান্য বাজার যেমন তুরস্ক বা মিশর সেখান থেকে আনতে অনেক সময় লাগে, আবার আনতে গিয়ে পচেও যায়।” তবে পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে ‘সিন্ডিকেট’ কাছ করছে বলে মনে করেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তা না হলে সরকার পেঁয়াজের শুল্ক তুলে নেওয়ার এক দিন পরই কেজিতে ১৫ টাকা দাম কমতে পারে না বলে রোববার ব্যবসায়ীদের এক সভায় তিনি বলেন।
ডিসিসিআই ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ২৬ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ এক ভার্চুয়াল মেলা হবে বলে জানানো হয়। সাত দিনের এই মেলার উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের এবং বাণিজ্যের একটি আকর্ষণীয় জায়গা হিসেব বিশ্বের কাছে তুলে ধরা।
এই ভার্চুয়াল মেলায় বিশ্বের ৩৮টি দেশের ৫৫২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিবে। এর মধ্যে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ২৮১টি এবং দেশের বাইরের প্রতিষ্ঠান ২৭১টি। এখানে ৭ দিনে ৪৫০টি ব্যবসায়িক বৈঠক হবে। এই মেলায় ৯টি খাত থেকে প্রতিনিধিরা যোগ দিবেন।
খাত গুলো হচ্ছে অবকাঠামো, আইটি এবং ফিনটেক, চামড়া, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল, প্লাস্টিক, কৃষি, পাট এবং টেক্সটাইল আর ভোগ্যপণ্য এবং খুচরা বিক্রেতা। ২৬ অক্টোবর সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মেলার উদ্বোধন করবেন। মলার প্রথম দিন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আমেরিকার ব্যবসায়ীদের সাথে বসবেন। দ্বিতীয় দিন ইউরোপের দেশের সাথে বৈঠক হবে। তৃতীয় দিন বৈঠক হবে মধ্যপ্রাচ্যের সাথে। চতুর্থ দিন বৈঠক হবে এশিয়ন দেশ গুলোর সাথে। পঞ্চম দিন বৈঠক হবে আফ্রিকান দেশ গুলোর সাথে। মেলার ছয় নাম্বর দিনে অর্থায়ন নিয়ে আলচনা হবে। সপ্তম দিন মেলার শেষের অনুষ্ঠান হবে।

অক্টোবর ১৮
০৪:৫১ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]