Daily Sunshine

গণমাধ্যম-অর্থনীতির স্বার্থেই টিভিতে ‘ক্লিনফিডের’ পদক্ষেপ: তথ্যমন্ত্রী

Share

সানশাইন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশে বিজ্ঞাপনসহ বিদেশি টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধের পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতি ও গণমাধ্যম খাতকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতেই নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপ্রেস গ্রুপের কার্যালয়ে চ্যানেল আই টেলিভিশন সম্প্রচারের ২৩তম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
শুক্রবার থেকে অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিজ্ঞাপন প্রচার করে- এমন বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশের কেবল অপারেটররা। সরকারি নির্দেশনা মেনে এসব চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ রাখা হয়েছে বলে কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ জানান।
‘ক্লিনফিড’ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিদেশি টিভি ক্লিনফিড না চালানোর প্রেক্ষিতে কয়েক হাজার কোটি টাকা, যা দেশে লগ্নি হত, তা বিদেশের চ্যানেলে লগ্নি হয়। আইনভঙ্গ করে বিদেশি চ্যানেলে যদি বিজ্ঞাপন না দেখানো হত, তবে দেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি লাভবান হত, অর্থাৎ দেশের অর্থনীতি লাভবান হত। “ক্লিনফিড না চলার কারণে দেশের অর্থনীতি, শিল্পী, শিল্প, সংস্কৃতি ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেকারণেই আমরা এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”
ক্লিন ফিড মানে হল কোনো বিজ্ঞাপন থাকতে পারবে না। বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশি চ্যানেলের অনুষ্ঠান বাংলাদেশে দেখাতে হলে ‘ক্লিন ফিড’ দেখাতে হবে। ওটিটি প্লাটফর্ম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, “ওটিটি প্লাটফর্ম নিয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, খসড়া সম্পন্ন হয়েছে। নীতিমালা পাশ হলে, প্লাটফর্মগুলোকে তা অনুসরণ করতে হবে এবং কোনো বাত্যয় হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এসময় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বরেণ্য সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন, সাদী মোহাম্মদ, চ্যানেল আই পরিচালক শাইখ সিরাজসহ চ্যানেলটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বিদেশি টিভি চ্যানেলের বিজ্ঞাপনমুক্ত বা ক্লিনফিড সম্প্রচার বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের টিভি চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স- অ্যাটকো এবং টিভি চ্যানেলগুলোতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি।
দেশের সব টিভিতে মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে স্ক্রল প্রচারের পাশাপাশি বিজেসি এ নিয়ে লিখিত বিবৃতি দিয়েছে। বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সাহসী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, “২০০৬ সালের কেবল নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইনে এ বিধান থাকলেও এর আগে কখনই এটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। “এতে দেশি টেলিভিশন চ্যানেল শিল্পের আর্থিক সংকট কমবে এবং উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সম্প্রচারকর্মীরাও এর সুফল পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

অক্টোবর ০৩
০৬:১৯ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]