Daily Sunshine

করোনায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরিদর্শন

Share

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: মহামারি করোনার কারনে প্রায় ১৮ মাস পর খোলা হয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুরু হয়েছে স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্বল্প পরিসরে ক্লাস নেয়া। আর এসব ক্লাস পরিদর্শন করছেন সরকারি কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা সদরে অবস্থিত বাঘা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ (ক্লাস) পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি হিসাবে বাঘা পৌর এলাকার দায়িত্ব পাওয়ায় মুলতঃ স্কুলের সার্বিক অবস্থা ও শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, একটি হাসুয়া কিংবা বটি দিয়ে তরকারি কাটা বন্ধ করলে যেমন সেটি মরিচা পড়ে যায়, ঠিক তেমনি অবস্থায় পরিনত হয়েছে আমাদের মফস্বল এলাকার শিক্ষার্থীরা। তিনি এর পরিত্রাণ পেতে শিক্ষকদের আন্তরিক হওয়াসহ পাঠদানে গতিশীল হবার আহবান জানান।
সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর বাঘায় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের সাথে শিক্ষার মান উন্নয়নে পৃথক-পৃথক ভাবে সভা করেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা।
এ সময় তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারনে শিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে সেটি অপুরনীয়। বায়ু জনিত করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বর্তমানে সারা বিশ্বের মানুষের জীবনের গতিধারা পাল্টে দিয়েছে। এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় মাস্ক এবং হ্যান্ড সেনিট্রেশন ব্যবহারসহ পরিস্কার পরিচ্ছতার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন।
তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, সরকার ইতোমধ্যে যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছেন তবে সেটি হবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে। কারণ আমরা এখনো করোনামুক্ত হয়নি। এ জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এর জন্য কয়েকজন সরকারী অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাহী কর্মকর্তার এ ধরনের কর্মসূচিকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন সমাজের অবিজ্ঞ মহল। তারা বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাকরা ফুল বেতন পেলেও শিক্ষার গুনগত মান অনেক কমে গেছে। এটিকে পরিপূর্ণ করতে হলে শিক্ষকদের গতিশীল না হওয়ার কোন বিকল্প নেই।

সেপ্টেম্বর ২৪
০৬:১৭ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]