Daily Sunshine

শিবগঞ্জের তিন ইউনিয়নের ১৭টি ওয়ার্ড প্লাবিত

Share

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি: পাগলা ও পদ্মা নদীতে বন্যার পানি কমতে আরম্ভ করলেও জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ভাঙ্গনকবলিত তিনটি ইউনিয়নের ১৩টি ওয়ার্ডের প্রায় ৬ হাজার পরিবার এখনও পানিবন্দী অবস্থায় অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সীমিত আকারে ঐসব এলাকায় ত্রান কাযক্রম চালালেও তা অপ্রতুল বলে জানায় ভুক্তভোগীরা। বন্যার পানিতে তলিযে যাওযার মধ্যে পাকা ইউনিয়নের ৯টি দুর্লভপুর ইউনিয়নের ২টি, উজিরপুর ইউনিয়নের ১টি, মনাকষা ইউনিয়নের ১টি ওয়ার্ড।
পাঁকার জুয়েল জানান, বন্যার পানির কারনে যারা বিদ্যালয় ও সরকারী প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে তারা সহায়তা পেলেও অনেক পানিবন্দী মানুষ এখনও সহায়তা পাননি।
দুলর্ভপুর ্এলাকার রুস্তুম আলী জানান, বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও তারা এখন ভাঙ্গন আতঙ্কে আছেন।
এদিকে গত বুধবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বী, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, পাঁকা ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসময় পানি বন্ধী ৪শ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, সাবান, চিনি, সেমাই চিড়াসহ প্রায় ১৩ কেজির একটি শুকনা খাবারের প্যাকেট ও ৬ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।
এর আগের দিন সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুলের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল বন্য কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ৪শ পরিবারকে একই পরিমান শুকনা খাবার প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বী বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার প্রতিটি পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরন অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীর প্রকৌশলী ময়েজ উদ্দিন জানান পদ্মা নদীতে পানি বিপদ সীমার অনেক নীচে রয়েছে। পানিবন্দী এলাকাগুলো তুলনামূলক নিচু হওয়ায় এ সমস্যা হয়েছে। তবে আশার কথা হচ্ছে ইতিমধ্যে ভারতে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৫
০৫:৫০ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]