Daily Sunshine

মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে আ’লীগ সরকার : এমপি এনামুল

Share

স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেছেন, কোন মুক্তিযোদ্ধাকে যাচাই বাছাই থেকে বাদ দেওয়া হবে না। যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন প্রাণ দিয়েছেন। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ। সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। এসব মুক্তিযোদ্ধারা যাতে যাচাই বাছাইয়ের নামে হয়রানীর শিকার না হয় আমরা সে ব্যাপারে সচেতন রয়েছি। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল সমৃদ্ধ ও উন্নয়নশীল দেশ গড়া। যে মানুষের জন্ম না হলে আমরা পেতাম না স্বাধীন দেশ। পরাধিনতার ঘানি টানতে টানতে জীবন শেষ হয়ে যেত।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে বাঙ্গালী পেয়েছে স্বাধীন এ বাংলাদেশ, স্বাধীন ভূখন্ড। লাল সবুজের পতাকা। তার রক্তের ঋণ কোন কিছুর বিনিময়ে শোধ করা যাবে না। অথচ সেই মহান নেতাকে সপবিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। সেই মহান নেতাকে হারিয়ে জাতি আজ শোকাহত। হাজার বছর খুজলেও সেই নেতাকে খুজে পাওয়া যাবে না। সেই নেতার সকল কর্ম আর ইতিহাস বাঙ্গালীদের অন্তরে লালন করতে হবে।
বাঙ্গালী ভুলে গেছে সেই মহান নেতার নেতৃত্বের কথা। ভুলে গেছে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের কথা। কেন এই বিভেদ। কেন এতো ষড়যন্ত্র। জাতীয় শোক দিবস পালনকি আওয়ামী লীগের একার দায়িত্ব। জাতীয় শোক দিবস পালন করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। ঘরে বসে ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই। সবাইকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
শনিবার উপজেলা আওয়া লীগের দলীয় কার্যালয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্সের সালেহা ইমারত মিলনায়তনে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীনতার পরে সবচেয়ে বেশি সম্মানীত হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। ক্রমের তাদের সম্মানী বৃদ্ধিসহ সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে চলেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির জনকের নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। নিরস্ত্র জনতা। যে মানুষটি দেশের জনগণের কাজ করে গেছে সারা জীবন তাকেই নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় গুলো।
কারাগারে বন্দি থাকলেও সেখান থেকেও নানা ভাবে শক্তি যুগিয়েছেন সকলকে। জাতির জনকের স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়িত না হয় সেটাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্যে। তাদের সেই চিন্তা-চেতনাকে ভেঙ্গে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপদান করে চলেছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেই উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম সারওয়ার আবুলের পরিচালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বাগমারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার।
মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, সোলাইমান আলী হিরু, আব্দুল খালেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মতিউর রহমান টুকু, আফতাব উদ্দীন আবুল, মরিয়ম বেগম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দীন সুরুজ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-মামুন, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সহ জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ ও অংগ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আগস্ট ২৯
০৫:৫০ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]