Daily Sunshine

লিটন ও মুশফিকের ফেরা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ

Share

স্পোর্টস ডেস্ক: হাতের তালুর মতো চেনা মাঠ। বেশিরভাগ সময় এখানেই খেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তাই অস্ট্রেলিয়া সিরিজে না খেললেও মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের মানিয়ে নিতে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন অ্যাশওয়েল প্রিন্স। ব্যাটিং কোচের মতে, এই দুই ব্যাটসম্যানের দলে ফেরা বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মা-বাবার অসুস্থতার খবর শুনে জিম্বাবুয়ে সফরের মাঝপথে দেশে ফিরেছিলেন মুশফিক। চলতি মাসে হওয়া অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া কড়া কোভিড প্রটোকলের জন্য খেলতে পারেননি। আর আত্মীয়র অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি লিটন। প্রত্যাশিতভাবে দুই জনই আছেন নিউ জিল্যান্ড সিরিজ। অনুশীলন করে প্রস্তুতও হচ্ছেন দুই জন। শনিবার বিসিবির পাঠানো বার্তায় ব্যাটিং কোচ প্রিন্স জানালেন, আগের সিরিজে না খেললেও দুই ব্যাটসম্যানই ভালো করে জানেন কী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
“লিটন ও মুশফিকের ফেরা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও কার্যকর তারুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয় রয়েছে। মুশফিক ও লিটন দলে ফিরেছে। দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও তরুণদের মধ্যে যোগাযোগটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
“অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে আমরা কি শিখতে পারি, এ নিয়ে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। যারা সেই সিরিজে খেলেনি, ওদের সঙ্গে আমরা ভাবনা ভাগাভাগি করেছি। মুশফিক, লিটনরা এই কন্ডিশনে অভিজ্ঞ, ওরা অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলেনি। ওদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কি কি জিনিস কাজে এসেছে আর আমরা কোথায় উন্নতি করতে পারি, এসব নিয়ে কথা হয়েছে। যা আমরা নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও কাজে লাগাতে পারব।”
৪-১ ব্যবধানে জেতা আগের সিরিজে পুরোপুরি ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। লিটন ফেরায় এবার আরেকটি বিকল্প থাকছে স্বাগতিকদের হাতে। তবে নিচু, মন্থর উইকেটে ওপেনারদের ভোগান্তি নিয়ে মোটেও ভাবছেন না প্রিন্স।
“ব্যক্তিগতভাবে আমি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন না। আমরা জিম্বাবুয়েতে এক-দুটি ভালো জুটি গড়েছি। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কন্ডিশন কঠিন ছিল। বল ব্যাটে আসলে এবং বলে গতি ও বাউন্স থাকলে যতটা নিয়মিত বাউন্ডারি সম্ভব, ততটা অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বের করা সহজ ছিল না। এখানে মানিয়ে নেওয়া দরকার। জুটি গড়া গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দলে প্রতিযোগিতাও আছে ওপেনিং পজিশনের জন্য। লিটন নিশ্চয়ই এই সিরিজে সুযোগ পাবে। আর এই প্রতিযোগিতা দলের জন্য ভালো।”
সব মিলিয়ে আগামী বুধবার শুরু হতে যাওয়া সিরিজের জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় প্রিন্স। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই ক্রিকেটারকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বাংলাদেশ দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের চমৎকার সমন্বয়। “এই দলের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দিক হচ্ছে অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশ্রণ। অনেক তরুণ খেলোয়াড় দলে এসেছে। শুধু ব্যাটিংয়ে নয়, বোলিং বিভাগেও আপনি এটা দেখতে পাবেন। দলে কিছু তরুণ ক্রিকেটার আছে যারা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে। ওরা তরুণ এবং বড় টুর্নামেন্ট খেলার এবং সেখানে সফল হওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের আছে। প্রতিটি বিভাগে মানসম্মত ক্রিকেটার আছে। ফাস্ট বোলিং, স্পিন বোলিং, ব্যাটিং সব বিভাগে যে মানের ক্রিকেটার আছে সেটা আমাকে রোমাঞ্চিত করছে।”

আগস্ট ২৯
০৫:৩৯ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]