Daily Sunshine

মিরপুরে ১২০ রান মানে অন্য কোথাও ১৯০’

Share

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জুড়ে আলোচনায় মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট। এই মন্থর, টার্নিং উইকেটে বাংলাদেশ খেলে অভ্যস্ত। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজও জিতে নিয়েছে তারা। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিং সেখানে ধুঁকছে। সিরিজের সবচেয়ে ঝড়ো ইনিংসটি উপহার দিয়েছেন যিনি, সেই ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানও বলছেন, এত কঠিন উইকেট তিনি জীবনে দেখেননি।
সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে শনিবার পাওয়ার প্লের সুবিধা কাজে লাগাতে ক্রিস্টিয়ানকে তিনে নামায় অস্ট্রেলিয়া। সাকিব আল হাসানের এক ওভারে ৫ ছক্কা মেরে তিনি বাজিমাত করেন। তবে ৩০ রানের ওই ওভার এবং ক্রিস্টিয়ানের ১৫ বলে ৩৯ রানের ইনিংসের পরও ১০৫ রানের লক্ষ্য ছুঁতে অস্ট্রেলিয়াকে খেলতে হয় ১৯ ওভার পর্যন্ত, হারাতে হয় ৭ উইকেট।
ব্যাটিংয়র এই দুর্দশা গোটা সিরিজেরই চিত্র। সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ১৩১ রান করেছিল বাংলাদেশ। চার ম্যাচের আট ইনিংস শেষে সেটিই এখনও সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। গোটা সিরিজে ব্যক্তিগত ফিফটি হয়েছে মোটে দুটি। অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল ও বিগ ব্যাশের পাশাপাশি ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে আইপিএল, পিএসএল, সিপিএল, টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলে ৩৫৬ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ক্রিস্টিয়ান বলছেন, এমন কন্ডিশন তিনি আগে দেখেননি।
“এই কন্ডিশনের তুলনীয় কিছু নেই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যতটা কঠিন কন্ডিশন হতে পারে, আমার দেখা কঠিন এটাই। এখানকার ১২০ রান মানে অন্য যে কোনো জায়গায় ১৯০। ব্যাটিংয়ের জন্য ভীষণ কঠিন। স্পিনাররা তো বটেই, পেসাররা স্লোয়ার করতে থাকলে খেলা খুব কঠিন। বল থমকে আসে, গ্রিপ করে, টার্ন করে, মাঠও খুব বড়। ব্যাটসম্যান হিসেবে ছন্দ পাওয়াই কঠিন।”
তবে খেলা কঠিন হলেও উইকেট নিয়ে অভিযোগ নেই ক্রিস্টিয়ানের। বরং এরকম উইকেটে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ দেখছেন তিনি। “এই খেলাগুলোও রোমাঞ্চকর হচ্ছে। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উদ্ভাবন এসব কারণে হয়নি। টি-টোয়েন্টি এসেছে অনেক ছক্কা, প্রচুর রান দেখার জন্য। সেদিক থেকে এই সিরিজ দর্শনীয় কিছু নয়। তবে ক্রিকেটীয় দিক থেকে, বেশ ইন্টারেস্টিং খেলা হচ্ছে। প্রতিটি খেলা বলকে এখানে এতটা গুরুত্ব দিতে হয়, একটি বাউন্ডারি পাওয়া বা একটি রান বাঁচানোও এত গুরুত্বপূর্ণৃএসব অনেক প্রভাব ফেলে ম্যাচে।”

আগস্ট ০৯
০৫:১০ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]