Daily Sunshine

৭ মাসে আড়াই কোটি টাকা জরিমানা আদায় আরএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের

Share

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্য করা সহ অবৈধ যানবাহানের বিরুদ্ধে ২৭ হাজার ২৮৩টি মামলার বিপরীতে এই অর্থ আদায় করেছে ট্রাফিক বিভাগ। তবে করোনা মাহামারির কারণে তুলনামূলক হারে মামলা কম হওয়ায় জরিমানার অর্থও কম আদায় হয়েছে।
এদিকে ট্রাফিক বিভাগের নিজস্ব কোন ডাম্পিং না থাকায় অরক্ষিত ও উন্মুক্ত জায়গায় করা হয়েছে ডাম্পিং। জব্দকৃত যানবাহগুলো রাখা হচ্ছে উন্মুক্ত স্থানে। এতে করে চুরি হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ; রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকা মূল্যের যানবাহনগুলো।
ট্রাফিক বিভাগে এক জন ডিসির অধিনে এক জন এসি, ৫ জন ইন্সপেকটর (যার মধ্যে দুইজন বদলী হয়ে চলে গেছেন), ২৩ জন সার্জেন্টসহ কনস্টেবল কাজ করে চলেছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে আরএমপি এলাকা অনুসারে এই জনবল তুলনামূলকভাবে কম।
ট্রাফিক বিভাগের একটি সূত্রের দেয়া তথ্য মতে, জানুয়ারি মাসে ৪ হাজার ৪৬৫টি মামলার বিপরীতে ৪০ লাখ ৩০ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে ৩ হাজার ৫৯৭টি মামলার বিপরীতে ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯০০ টাকা, মার্চে ৪ হাজার ১৬৭ টি মামলার বিপরীতে ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ টাকাক, এপ্রিলে ৪ হাজার ৬৪৮ টি মালার বিপরীতে ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা, মে মাসে ৪ হাজার ৭৯টি মামলার বিপরীতে ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা, জুনে ৪ হাজার ২১ টি মামলার বিপরীতে ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ টাকা এবং জুলাইতে ২ হাজার ৩৬টি মামলার বিপরীতে ২৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। জরিমানার অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি হিসেবে জমা পড়েছে।
নগরীর মহিষবাথান হেলেনাবাদ কলোনীতে ঢুকে দেখা যায়, প্রবেশ দ্বারের বাম দিকে একটি উন্মুক্ত একটি স্থানে কাঁটা তার দিয়ে ঘিরে তার মধ্যে রাখা হয়েছে একাধিক মোটরসাইকেল, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, রিকশা, সিএনজি, ইমা, ভুটভুটির মতো যানবাহন। যানবাহনগুলোতে লতাগুল্ম ও আগাছা ঘিরে ধরেছে। এটি আরএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের ডাম্পিং পয়েন্ট। ট্রাফিক বিভাগ বিভিন্ন সময় সড়ক থেকে যেসব যানবাহন জব্দ করে তা এখানে এনে রাখা হয়।
ট্রাফিক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তারা জানান, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে নিজস্ব ডাম্পিং পয়েন্ট করা সম্ভব হচ্ছে না। এর মাঝে ট্রাফিক বিভাগ তাদের সাধ্যমতো কাজ করে চলেছে।
আরএমপির মুখমাত্র ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রুহুল কুদ্দস তালুকদার জানান, আরএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ করোনা মহামারিতে তাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। সড়কে বিভিন্ন সময় জব্দকৃত যানবাহন ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়। যা নগরীর মহিষবাথান হেলেনাবাদ কলোনীতে (সরকারি আবাসিক এলাকা) অবস্থিত। ডাম্পিংয়ের জন্য ভালো কোন জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়েই বিভিন্ন সময় জব্দ করা পরিবহণ কষ্ট করে এভাবে রাখতে হচ্ছে।

আগস্ট ০৪
০৪:৪৬ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]