Daily Sunshine

করোনা রোগীদের সব পরীক্ষা হাসপাতালেই

Share

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীদের সব টেস্ট এখন থেকে হাসপাতালের নির্ধারিত প্যাথলজি বিভাগেই করা হবে। এখন থেকে প্যাথলজিক্যাল টেস্টের জন্য রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাক্তার শামীম ইয়াজদানী।
তিনি জানান, রোগীরা হবে আমাদের কাছে ভিআইপি। রবিবার রামেক হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে ধরে পরিচালক জানান, খুব শীঘ্রই হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের সমস্ত প্যাথলজিক্যাল টেস্ট হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগেই করা হবে। এজন্য হাসপাতালে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তিনি জানান, ১ হাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে ল্যাব টেকনোলজিস্ট আছেন মাত্র ১১ জন যাদের মধ্যে ব্লাড ব্যাংকে ৫ জন কাজ করেন এবং প্যাথলজি গুলোতে কাজ করেন ৬ জন। এই সংখ্যক জনবল দিয়ে প্যাথলজি বিভাগ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রেক্ষিতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্যাথলজি বিভাগগুলোর জন্য জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।
প্যাথলজি বিভাগের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য আউটডোর, ইনডোর, ওয়ান স্টপ সার্ভিস এবং কার্ডিয়াক প্যাথলজি নামে চারটি পৃথক প্যাথলজি সেবা চালু করা হবে বলেও তিনি জানান। রোগীদের যাতে ছুটোছুটি করতে না হয়, সে জন্য হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর কাছে স্থাপন করা হবে কালেকশন পয়েন্ট। যেখান থেকে রোগী বা স্বজনরা টেস্ট সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য ও সেবা পেতে পারবেন। এমনকি ওয়ার্ডের বেডে শুয়ে থাকা গুরুতর রোগীদের টেস্ট করার ব্যবস্থা করা হবে। এসবের জন্য নামমাত্র মূল্যে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হবে।
পরিচালক জানান, আড়াই কোটি টাকা অনুমোদন মিলেছে সদর হাসপাতাল চালুর জন্য। এরইমধ্যে কনস্ট্রাকশন কাজ শুরু হয়ে গেছে। সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম চালুর জন্য স্পেক্ট্রা ও নোয়া নামে দুইটা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। আশা করা হচ্ছে আগামী দুই মাসের মধ্যেই হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করা সম্ভব হবে।
রাজশাহীর করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে পরিচালক জানান, রাজশাহীর করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও কমে আসছে। জুলাই মাসে হাসপাতলে করোনা উপসর্গে মারা গেছে ৫৩১ জন। যাদের মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছে ১৮০ জন। জুন মাসে এই সংখ্যা ছিল ১৬৮, মে মাসে মারা গেছেন ৫৩ জন ও এপ্রিলে মারা গেছেন ৩৬ জন।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের একটা বড় অংশই এখন পাবনা থেকে আসছে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনার ঢেউ এখন ঢাকার দিকে ছুটছে। হাসপাতালে মৃত্যুর রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি জানান যাদের অতিরিক্ত ওজন সমস্যা ডায়াবেটিস কিডনি রোগ রয়েছে তাদের মধ্যে করোনায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

আগস্ট ০২
০৮:০৬ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]