Daily Sunshine

লকডাউনে কমেছে আমের দাম

Share

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা সংক্রামন ঠেকাতে রাজশাহী জেলা প্রশাসন ১১ জুন থেকে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে। করোনা প্রকোপ বেশি, সেই সঙ্গে লকডাউন। এই দুয়ের প্রভাবেই রাজশাহীতে আমের দাম ও ক্রেতা কমতে শুরু করেছে।
এতে করে ক্রেতা সংকটে ভুগছেন রাজশাহীর আম ব্যবসায়ীরা। সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা না থাকায় রাজশাহীর আমের হাটে বেচা-কেনায় এরই মধ্যে ধস নেমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিমণে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পড়ে গেছে দর। আর হঠাৎ এ দরপতনে বাগান মালিকরাও বিপাকে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেকে বাগান থেকে এখন আম নামানো থেকে বিরত থাকারও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখন জাত আমখ্যাত গোপালভোগ ও খিরসাপাত এবং ল্যাংড়া জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্য গোপালভোগ আম প্রায় শেষ। পুরোদমে বাজারে রয়েছে খিরসাপাত আম। আর চলতি সপ্তাহেই উঠতে শুরু করেছে ল্যাংড়া আম। কিন্তু হাটে আমের সরবরাহের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। এমনিতেই দেশে লকডাউন চলছে। তার ওপর রাজশাহী শহরে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ জারি করা হয়েছে। আর তাই এই বিশেষ লকডাউনের কারণে দূরের পাইকাররা রাজশাহীতে আসতে পারছেন না।
আম ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, লকডাউনে দূরের পাইকাররা আসতে পারছেন না। এতে পড়ে গেছে দর। লকডাউনের আগে দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ মণ আম বিক্রি করতাম। বর্তমানে ১২ থেকে ১৫ মণ আম বিক্রি হচ্ছে। আগের চেয়ে আমের দাম মণ প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কমে বিক্রি করতে হচ্ছে।
পুঠিয়ার বানেশ্বর হাটের ইজাদার ওসমান আলী বলেন, একদিনে কঠোর লকডাউন আরেক দিকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি! সব মিলিয়ে রাজশাহীর সবচেয়ে বড় এই আমের মোকামে এখন আমের ক্রেতা কম। তাই ব্যবসায়ীরা কম দামেই আম বিক্রি করছেন।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কে জে এম আবদুল আউয়াল বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সারা দেশের ক্রেতারা এখন খুব সহজে আম কিনতে পাচ্ছেন। লকডাউন থাকলেও বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিস, পিকআপভ্যান ও ট্রাকে করে আম পরিবহন করা যাচ্ছে আগের মতই। তবে, মানুষ বাইরে বেরোতে না পারায় সাধারণ ক্রেতার সংখ্যা কম। তাই এখন আমের দামও কিছুটা কম।

জুন ১৫
০৬:০২ ২০২১

আরও খবর