Daily Sunshine

করোনা রোধে নওগাঁ-চাঁপাই সীমান্তে সতর্ক প্রশাসন

Share

নওগাঁ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে, নওগাঁর কয়েকটি উপজেলাকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। ওইসব উপজেলার ইউএনও ও সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বেশ কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সাথে নওগাঁর দুটি হাইওয়ে সড়ক আছে। এছাড়া ছোট-অনেকগুলো যাতায়াতের পথ আছে। ইতোমধ্যেই সেগুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। করা হচ্ছে মাইকিং। এসব চেকপোস্টে জরুরি পণ্যবাহি যাহবাহন ছাড়া অন্য যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়াও যেসব পণ্যবাহি যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে সেসব যানবাহন ভালোভাবে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে, স্যানিটাইজারের ব্যবহার ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া জানান, যেহেতু চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওযায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সংক্রমণ রোধে নওগাঁ-চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাথে হাইওয়ে সড়ক ছাড়াও ছোট যাতায়াতের যেসব সড়ক রয়েছে তাতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। যাতে কেউ অকারণে যাতায়াত করতে না পারে। আর যেসব পণ্যবাহি যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে তাতে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে, স্যানিটাইজারের ব্যবহার এবং মাস্ক পরিধানও নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশিদ জানান, পাশ্ববর্তী জেলা থেকে যাতে নওগাঁয় করোনা সংক্রমণ ছড়াতে না পারে এ জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও স্থানীয় হাট-বাজার ও গণপরিবহনে সামাজিক দূরত্ব, শতভাগ মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য বিধি নিষেধ কার্যকরে আরো বেশী নজরদারীর কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে বিজিবি, ভারত সীমান্তে কড়া নিরাপত্তায় রয়েছে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
নওগাঁ জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর, পাশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা। আর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আছে ধামৈরহাট পত্নীতলা, সাপাহার ও পোরশাসহ ৪টি উপজেলা। নওগাঁ জেলায় এ পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৮৪ জন। এরমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৮৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের।

মে ২৭
০৬:০৩ ২০২১

আরও খবর