Daily Sunshine

নওহাটায় অন্যর জায়গায় প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে

Share

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র মকবুল শেখের বিরুদ্ধে প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে শেখ শরিফ নামে এক ব্যক্তি আদালতে মামলা করেছেন।
মামলায় শেখ শরীফ উল্লেখ করেছেন, সাবেক মেয়র মুকবুল শেখের সাথে নওহাটা মৌজার আরএস খতিয়ান নং ৯৪ এর দাগ নং ১৩৪ এর এক দশমিক ৪৮ একরের কাতে দশমিক ২৯ একর, তন্মধ্যে দশমিক ১২৫০ জমিটি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধ জমিটি দীর্ঘদিন ধরে মুকবুল শেখ দখলে নেয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছেন। মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাতে ওই বিরোধ সম্পত্তিতে যাতে কেউ কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সেজন্য শেখ শরিফ ওই জমির উপরে ১৪৫ ধারা চায়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই জমিতে যে কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ না হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ অনুযায়ী পবা থানা মকবুল শেখকে নোটিশ দেয়। তবে শেখ শরিফ অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মকবুল শেখ তার বাড়ির প্রবেশ দ্বার ঘেঁষে প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। এতে তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। শেখ শরিফ জানান, আমার এটা পৈত্রিক সম্পত্তি। সাবেক মেয়র মুকবুল হোসেন নিজ পছন্দমত জমিতে প্রাচীর নির্মাণ করেছে। এতে আমার বাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি সুরাহার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
এ ব্যাপারে নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র মকবুল হোসেন আদালতে দায়ের করা মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে বলেন, আমি আমার কেনা সাড়ে ৮ শতক জমির সীমানায় প্রাচীর করছি। আমি কোন মতেই শরিফের জমির উপর প্রাচীর নির্মাণ করছি না। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে পৌরসভার আমিন, শরিফের ব্যক্তিগত আমিন, পবা থানার পুলিশ, নওহাটা পৌরসভার ২ জন কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে জমি মাপ করা হয়। সেই মাপের পর একটি সমঝোতা পেপারে নওহাটা পৌরসভার বর্তমান মেয়র, কাউন্সিলর, পুলিশ ও এলাকাবাসীর স্বাক্ষর নেয়া হয়। সেই মাপ মোতাবেক আমি প্রাচীর নির্মাণ করছি। সেই রাতে শরিফ প্রাচীরের একাংশ ভেঙ্গে ফেলে। আমি এর পরদিন পবা থানায় জিডি করি। জিডির পর ওসি এসে তদন্ত করে আমার কাগজপত্র ঠিক দেখে আমাকে আবার প্রাচীর নির্মাণ করার অনুমতি দেন। তিনি কোনমতেই অন্যের জায়গায় প্রাচীর নির্মাণ করছেন না বলে উল্লেখ করেন।

মে ২০
০৫:০৮ ২০২১

আরও খবর