Daily Sunshine

এভাবে বাড়ি যাওয়া আত্মঘাতী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Share

সানশাইন ডেস্ক: ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষ যেভাবে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াত করছে তা ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “লকডাউনের সামান্য শিথিলতার সুযোগ নিয়ে দলবেঁধে এভাবে যাওয়া সুইসাইড সিদ্ধান্তের শামিল।”
মহামারীর বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনে দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকলেও ঈদ চলে আসায় মানুষ মরিয়া হয়ে পরিবারের কাছে ছুটছে। সরকারের শত অনুরোধ, বিভিন্ন পদক্ষেপ, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা- কোনো কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না জনস্রোত। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, “ভারতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে। এটি এখন নেপালে ছড়িয়ে গিয়ে সেখানে ভয়াবহতা সৃষ্টি করেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট এখন আমাদের দেশেও চলে এসেছে। এই সময়ে এই ভাইরাস যদি বহন করে ঘরমুখো মানুষ গ্রামে চলে যায়, তাহলে গ্রামে থাকা পরিবার পরিজনসহ গ্রামবাসী গণহারে আক্রান্ত হতে পারে।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “শহরের মানুষও বেপরোয়া চলাফেরা করছে। এভাবে চলতে দিলে ঈদের পর দেশে ভারত, নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।” মন্ত্রী সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের আরও কঠোরভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। “বর্ডার এলাকায় ভারতে যাতায়াতকারী ব্যক্তির পরিবারসহ সবাইকে দ্রুত ও বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। বর্ডার এলাকার কোনো যানবাহন নিজ জেলার বাইরে যেন না যেতে পারে সে ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।”
করোনাভাইরাসের ভারতীয় নতুন ধরনের বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, রংপুর, সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, সীমান্ত জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।

মে ১১
০৫:০৬ ২০২১

আরও খবর