Daily Sunshine

মাহে রমজান

Share

সানশাইন ডেস্ক : মাহে রমজানের আজ ৯ম দিবস। এ মাসে আমরা যেন সেহরি অনুষ্ঠানকে রমজানের পালনীয় একটি অন্যতম সুন্দর অনুষঙ্গ হিসেবে গ্রহণ করি। কোন ধর্মীয় ব্যাপারে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি কিংবা কৃত্রিমতার আশ্রয় নেয়া উচিত নয়। আল্লাহপাক বান্দাকে শুধু উপোস রেখে পরীক্ষা করতে চান তা নয়, পবিত্র ও হালাল পন্থায় পানাহারের যে তাগিদ রয়েছে সেহরির প্রতি ইসলামের উৎসাহ প্রদান সে ইঙ্গিত বহন করে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) তো স্পষ্টত বলে ফেলেছেন : আমাদের রোজা ও আহলে কিতাবদের রোজার পার্থক্য হচ্ছে সেহরি খাওয়া নিয়ে। (ইমাম মুসলিম হাদীসটি আমর ইবনুল আসের (রাদি.) উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেছেন)।
রোজার সূচনায় যেমন রয়েছে সেহরি গ্রহণের বিষয়, তেমনি রোজার সমাপ্তিতে রয়েছে ইফতার গ্রহণের বিষয়। ইফতার অর্থ সূর্য ডোবার পর কোন পানাহার দিয়ে রোজা ভঙ্গ করা। রোজা রাখা যেমন সাওয়াবের কাজ, সেহরি গ্রহণ যেমন বরকতের কাজ, তেমনি যথাসময়ে ইফতার গ্রহণও ইসলাম ধর্মের রোজার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও পুণ্যের কাজ। আমরা অনেক সময় ব্যস্ততা ও অবহেলার কারণে বিষয়টি বেমালুম ভুলে যাই। আর কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত মনে করেন দেরি ইফতার করা বুঝি একটু বেশি সাওয়াবের কাজ। এমন ধারণা মোটেই ঠিক নয়। আমাদের দয়াল নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) রোজার অনুশাসন প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানব কল্যাণের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘তার ওপর লাখো দরূদ ও সালাম, তিনি যথার্থই বলেছেন : আমার উম্মতগণ ততদিন পর্যন্ত বরকতময় ও প্রাচুর্যময় জীবন অতিবাহিত করবে যতদিন তারা যথাসময়ে মুখে ইফতার নেবে।’ তাই আমাদের উচিত দিনভর সিয়াম সাধনা করার পর সূর্য অস্ত গেলে কাল বিলম্ব না করে ইফতার গ্রহণ করি।

এপ্রিল ২২
০৩:৩৬ ২০২১

আরও খবর