Daily Sunshine

করোনা ও উপসর্গ নিয়ে রামেক হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু

Share

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত রোগী আইসিইউতে মারা গেছেন। বাকি দুইজন করোনা ওয়ার্ডের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি আরো জানান, করোনা ওয়ার্ডে ৬৬ জন পজিটিভ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে ৫১ জন এবং আইসিইউতে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালেরর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের তথ্য বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পাঠানো হয়। উপসর্গ নিয়ে মৃতদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এলে সেই তথ্য পরবর্তীতে করোনায় আক্রান্তে মৃতদের মধ্যে যুক্ত করা হয়।
এদিকে রোববার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার বিভাগের বগুড়ায় করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭৪ জনের। এ পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৯ হাজার ৮৬০ জনের। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ধরা পড়েছে ১৭৪ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় বগুড়া জেলায় ৮৫ জনের করোনা ধরা পড়েছে। এছাড়া নওগাঁয় ৩৭, রাজশাহীতে ২৩, পাবনায় ১৬ এবং জয়পুরহাটে সাত এবং নাটোরে ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এদিন সিরাজগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা শনাক্তের খবর পাওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত বিভাগে করোনামুক্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৭২৪ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৬ জন। করোনা নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিন হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় সর্বোচ্চ ২৭৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বগুড়ায়। এছাড়া রাজশাহীতে ৬০, নওগাঁয় ৩২, সিরাজগঞ্জে ১৯, নাটোরে ১৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪, পাবনায় ১২ এবং জয়পুরহাটে ১১ জনের প্রাণ গেছে করোনায়।
মহামারি করোনা সংক্রমণ এড়াতে সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদার।
তিনি বলেন, প্রয়োজনে নমুনা পরীক্ষা করে করোনা সংক্রমণ নিশ্চিত হতে হবে। সংক্রমণ ধরা পড়লে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই হবে। তবে অবস্থা জটিল মনে হলে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

এপ্রিল ১৯
০৩:৪৩ ২০২১

আরও খবর