Daily Sunshine

দেশে করোনায় একদিনে সবোর্চ্চ ৭৪ জনের মৃত্যুর রেকর্ড

Share

সানশাইন ডেস্ক: দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যায় নতুন রেকর্ড হয়েছে; গত এক দিনে আরও ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা ৭ হাজারের নিচে নেমেছে; গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ হাজার ৪৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে মৃত ৭৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৯ হাজার ৫২১ জনের মৃত্যু হল। আর নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৬৬ হাজার ১৩২ জন হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৩৯১ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী। নতুনদের নিয়ে মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩০ জনে।
বাংলাদেশে গত বছর ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল সরকার। এ বছর ৩১ মার্চ তা নয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। গত মঙ্গলবার একদিনে ৬৬ জনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা এবাযাৎকালের সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার সেই রেকর্ড ভেঙে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৪ জন হয়।
সংক্রমণ ধরা পড়ার এক বছর পর এ বছর মার্চের শেষে প্রথমবারের মত দেশে এক দিনে পাঁচ হাজারের বেশি রোগী শনাক্তের খবর আসে। এর মধ্য দিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৯ মার্চ ছয় লাখ ছাড়িয়ে যায়। এরপর মাত্র এক সপ্তাহে সেই তালিকায় যোগ হয়েছে আরও অর্ধলক্ষ নাম। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে বুধবার দেশে রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্তের খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে পরের দিনই তা প্রায় হাজারখানেক কমল।
বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৩ কোটি ২৫ লাখ পেরিয়েছে; মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৮ লাখ ৭৫ হাজার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট ২৪৩টি ল্যাবে ৩৩ হাজার ১৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৯ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৮টি নমুনা।
নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১২ লাখ ৩০ হাজার ৫৮টি।
গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ আর নারী ২৬ জন। তাদের মধ্যে ৪ জন বাড়িতে মৃত্যু বাকি সবার মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। মৃতদের মধ্যে ৪৬ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, ৬ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৫ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং এক জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।
৭৪ মৃত্যুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৪৩ জন, চট্টগ্রামের ১৫ জন, রাজশাহীর ৩ জন, খুলনার ৭ জন, বরিশালের ৪ জন ও সিলেট বিভাগের ২ জন ছিলেন। করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত ৯ হাজার ৫২১ জনের মধ্যে ৭ হাজার ১৩০ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৩৯১ জন নারী। এদের মধ্যে ৫ হাজার ৩৪৯ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ২ হাজার ৩৪০ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ১ হাজার ৬৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪৭৩ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৮৫ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে,৭০ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৯ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।
মোট মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫ হাজার ৪৮২ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৭০৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৫২০ জন রাজশাহী বিভাগের, ৬০৪ জন খুলনা বিভাগের, ২৮৪ জন বরিশাল বিভাগের, ৩৩২ জন সিলেট বিভাগের, ৩৮১ জন রংপুর বিভাগের এবং ২০৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

এপ্রিল ০৯
০৪:৫৬ ২০২১

আরও খবর

Subcribe Youtube Channel

বিশেষ সংবাদ

কী বন্ধ, কী খোলা জেনে নিন

কী বন্ধ, কী খোলা জেনে নিন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে, বন্ধ থাকছে যানবাহনও। বিধি-নিষেধ থাকছে সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলেও। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বন্ধ থাকছে: সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

টিকা কার্ড নিয়ে যাতায়াত করা যাবে

টিকা কার্ড নিয়ে যাতায়াত করা যাবে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে এ সময়ে টিকা কার্ড নিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন

বিস্তারিত