Daily Sunshine

দেশজুড়ে সাত দিনের লকডাউন শুরু: ফের জীবন-জীবিকার লড়াই

Share
loc

স্টাফ রিপোর্টার: আবার শুরু হয়েছে লকডাউন। করোনা প্রতিরোধে চলাচলে বিধিনিষেধ। আগামী ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। আবারও শুরু হলো জীবন ও জীবিকার কঠিন এক লড়াই। লকডাউন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রোববার এই প্রজ্ঞাপন জারি করে বিধি নিষেধ আরোপ করেছে।
এতে বলা হয়, সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।
আগে জীবন। তারপরে জীবিকা। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই লকডাউন শুরু হচ্ছে। এখনই করোনা নিয়ন্ত্রণ না করা হলে সামনে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ বিপদ। দীর্ঘদিন ধরে করোনার সঙ্গে লড়াই করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছে মানুষ। মাঝে করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় অনেকটাই সচল হতে শুরু করেছিল জীবিকার চাকা। কিন্তু আবার সেই চাকা থেমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রবিবার রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া হাটে বাজার করছিলেন রমজান আলী। তিনি একজন রিকশাচালক। রিকশা চালিয়ে যা আয় হয় তা খেয়েই জীবন চলে। সোমবার থেকে লকডাউন থাকায় চিন্তায় পড়েছেন তিনি।
রমজান আলী জানান, হাতে যা টাকা আছে তা দিয়ে ৪ দিনের চাল কিনেছেন তিনি। সামনের দিন নিয়ে হতাশ তিনি। লকডাউনকে ঘিরে রবিবার নগরীর বাজারগুলোতেও দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। নিত্যপ্রয়োজনিয় দ্রব্য কিনতে মানুষের ভিড় ছিল দোকানগুলোতে। নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় চাল, তেল, ডাল কিনতে এসেছিলেন সাবিনা রহমান। তিনি জানান, সাতদিন ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হবে। সেজন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন। তাই প্রয়োজনিয় কেনাকাটা সেরে নেয়া প্রয়োজন।
লকডাউনের বিষয়ে সাবিনা রহমান জানান, যে হারে করোনা বেড়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসছে সামনে লকডাউনের বিকল্প নেই। করোনা প্রাদুর্ভাবের সময়ে তার পরিবারে অনেক ক্ষতি হয়েছে। দুই জন সদস্য প্রাইভেট চাকুরি করতেন। তারা চাকুরি হারিয়েছে। আয় নেমে এসেছে অর্ধেকে। মানুষ বহুমাত্রিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। সবচেয়ে বড় সংকট হলো জীবন এবং জীবিকার। এটা থেকে বের হতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হবে বলে তিনি মনে করেন।
নগরীর ভদ্রা এলাকার গৃহিনী শিল্পী জানান, বিগত সময়ে করোনার কারণে অনেক সমস্যা তৈরি হয়েছে। সংসারে আয় কমেছে। সেইসঙ্গে ছেলেমেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে। নানান চিন্তায় দিন কাটছে তার। তার মধ্যে আবার করোনা পরিস্থিতি খারাপ। নতুন করে লকডাউন নিয়ে চিন্তায় আছেন তিনি।

এপ্রিল ০৫
০৭:০১ ২০২১

আরও খবর

Subcribe Youtube Channel

বিশেষ সংবাদ

কী বন্ধ, কী খোলা জেনে নিন

কী বন্ধ, কী খোলা জেনে নিন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে, বন্ধ থাকছে যানবাহনও। বিধি-নিষেধ থাকছে সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলেও। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বন্ধ থাকছে: সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

টিকা কার্ড নিয়ে যাতায়াত করা যাবে

টিকা কার্ড নিয়ে যাতায়াত করা যাবে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে এ সময়ে টিকা কার্ড নিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন

বিস্তারিত