Daily Sunshine

‘রাজশাহী হবে শিক্ষাযজ্ঞের নগরী’

Share
Spread the love

আসাদুজ্জামান নূর : রাজশাহী কলেজ মাঠের বিশাল মঞ্চে চলছে অধ্যক্ষের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে এসেছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী জেসমিন খাতুন (২৯)। একা চলাফেরা করতে পারেন না। হুইল চেয়ারে এসেছেন, সঙ্গে এনেছেন একটি ক্রেস্ট। মঞ্চের উপরে উঠতে সক্ষম হবেন না, তাই হুইল চেয়ারে দাঁড়িয়ে রইলেন নিচে।
মঞ্চে অন্যান্যদের কাছ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান। জেসমিনকে দেখে নিচে নেমে এলেন। জেসমিন তার প্রিয় শিক্ষকের হাতে তুলে দিলেন ক্রেস্ট। তার হৃদয়ে বয়ে চলছে ঝড়! বটবৃক্ষের বিদায়ে ছায়াহীন হয়ে পড়ার ভয়! বিগত তিন বছর যে মানুষটি তার অভিভাবক হিসেবে রয়েছেন, তার লেখাপড়া, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, সেই মানুষের বিদায়ে ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যাবে এটা তো অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু জেসমিন নিজেকে সংবরণ করলেন। তার প্রিয় মানুষের বিদায় পথকে অশ্রুসিক্ত করতে চান না।
শুধু জেসমিন নয়, রাজশাহী কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থীর হৃদয়ে কয়েক দিন থেকেই বাজছে করুণ বীণার সুর। তাদের আত্মার আত্মীয়, অভিভাবক ও পরম শ্রদ্ধার পাত্র অধ্যক্ষ প্রফেসর হবিবুর রহমান অবসরোত্তর (পিআরএল) ছুটিতে যাচ্ছেন। এটা মেনে নিতে তাদের কষ্ট হচ্ছে। বিশাল আয়োজন, নানা রঙ্গে-ঢঙ্গে সাজানো হয়েছে ক্যাম্পাস। তবুও কি যেন বিষাদে ছেয়ে গেছে হৃদয়। মুখ ফুটে না বললেও সবাই জানে, ৩৩ একরের এই মাটিতে অধ্যক্ষ হিসেবে আর প্রিয় মানুষটিকে দেখা যাবে না। সেই দুঃখটা যেন কংক্রিটের দেয়ালেও যেন ফুটে উঠেছে।
গত কয়েকদিন ধরেই বিষাদ ভর করেছে রাজশাহী কলেজে। কলেজ আঙিনাজুড়ে তৈরী হয়েছে অসীম শূণ্যতা। সবুজ চত্বরে ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দু যেনো ঝরে পড়ছে বিষাদ হয়ে। এইতো কদিন আগেই কাজল পুকুরে থরে থরে ফুটেছিলো পদ্ম। এক বুক পানিতে নেমে শিশুর মত পদ্ম আলিঙ্গন করছিলেন অধ্যক্ষ। প্রিয় হারানোর শোকে হয়তো শুকিয়ে গেছে শতদল। পাতা ঝড়িয়েছে বিরলবৃক্ষ।
প্রায় প্রতিদিনই অধ্যক্ষকে বিদায় জানাচ্ছেন কলেজের কোন না কোন বিভাগ। সকাল থেকে রাত অব্দি চলছে এই আয়োজন। শিক্ষকদের আবেগঘন বক্তব্যে ভারি হচ্ছে চারপাশ। ভাষা হারিয়ে ফেলছেন প্রত্যেকেই।
কেন তার বিদায়ে এই হাহাকার? কেন হবে না, তাঁর নেতৃত্বেই জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে টানা চারবার দেশসেরা হয়েছে রাজশাহী কলেজ। তাঁকে বলা হয় বলা হয় আধুনিক রাজশাহী কলেজের রূপকার, রাজশাহী কলেজের মহানায়ক।
অধ্যক্ষের বিদায় উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। প্রশাসন ভবনসহ পুরো কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে ঝলমলে আলোয় আলোকিত করা হয়েছে। কলেজের প্রশাসনভবন, গ্রন্থাগার, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, হাজী মুহাম্মদ মহসিন ভবন, কলা ভবন, ফুলার ভবন, শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান ভবন ও রবীন্দ্র-নজরুল চত্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ চত্বরে ঝলমলে আলো দ্যুতি ছড়াচ্ছে।
এছাড়া প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে মঞ্চ পর্যন্ত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ চত্বরে স্থান পেয়েছে অধ্যক্ষের বিভিন্ন কর্মযজ্ঞের ফেস্টুন। সেই সাথে প্রশাসন ভবনের সামনে রাখা হয়েছিল একটি বুথ। এতে অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমানের চাকরি জীবনের সফল সমাপ্তিতে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা ছিল। এছাড়া কলেজের ফুলার ভবনের সামনে ছিল সেলফি কর্ণার।
অধ্যক্ষকে বিদায় জানাতে কলেজে মাঠে তৈরি করা হয় বিশাল আকৃতির মঞ্চ। মঞ্চের দু-পাশে সাদা পর্দায় রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাঁধন, বিএনসিসি, রোভার, রেঞ্জার, মিরর, অগ্নিবীনা, অন্বেষণ, ক্যারিয়ার ক্লাব, বিজনেস ক্লাবসহ কলেজের সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৪৮টি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমের ছবি।
বুধবার অধ্যক্ষের বিদায় উপলক্ষে কলেজ শিক্ষক পরিষদের দিনব্যাপি আয়োজনে তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়। হাজারো গুণীমানুষ ও শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আ.লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ মানুষটির কারণে এক সময়ের অবিভক্ত বাংলার উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজ পরপর চারবার সম্ভবত পাঁচবার হতে যাচ্ছে, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষাসহ সবদিক দিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে কারণে ঝকঝকে তকতকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদের মাঝে হানাহানি কিংবা বিদ্বেষ নেই। এখানকার ছাত্রছাত্রীর মাঝে ভাইবোনের মত পবিত্র সর্ম্পক বিদ্যমান। সেই মানুষটি যখন তার শেষ কর্মদিবস পালন করে; এবং তাকে নিয়ে তার সহকর্মীরা অন্তর থেকে কিছু কথা বলে; তখন সেই মানুষটির সর্ম্পকে যতই বলা যাক তা কম হবে।
সিটি মেয়র আরো বলেন, আমি তাকে নানাভাবে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করেছি। বাংলাদেশে যদি হাজার খানেক হবিবুর রহমান থাকতো তবে দেশ আরো অনেক এগিয়ে যেতো। কারণ সারা বাংলাদেশে তো হাজার হাজার প্রফেসর আছে, এরমধ্যে ভালোও অনেক আছে। তবে সবদিক মিলিয়ে এতোগুণের সমাহার, নান্দনিক ও শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি কয়জনের আছে! তিনি একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের কাছে পিতৃতুল্য অন্যদিকে অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজনীয় কড়া ব্যবস্থা নিতেও দ্বিধাবোধ করেন নি।
মেয়র বলেন, আমরা রাজশাহী কলেজে আরো কয়েক বছর তাকে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে আমরা বাধা পেয়েছি। কেননা এমনটা হলে এটাকেই সারা বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত হিসেবে দাঁড় করানো হবে। তবে আমি নিশ্চিত এমন একটা কর্মবীর মানুষকে বসিয়ে রাখা যাবে না। সুতরাং তাকে সম্মান জানিয়ে তার মেধাকে দেশের জন্য কাজে লাগাতে হবে। কেননা তিনি দেশকে ভালোবাসেন, তিনি দেশকে কিছু দিতে পারবেন।
এ সময় অধ্যক্ষকে হতাশা না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, আমার দল যতদিন ক্ষমতায় আছেন ততদিন পর্যন্ত আপনাকে যথোপযুক্ত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান তার কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, যে কোন কাজের প্রতিই ভালোবাসা, সততা, স্বচ্ছতা থাকতে হয়। আমি সেটা করার চেষ্টা করেছি। অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন, রাজশাহী কলেজের সার্বিক উন্নতির জাদুটা কি? আমি এক কথায় বলি, আমরা শিক্ষার্থীদেরকে ইতিবাচকভাবে বদলে যেতে দেখেছি। আমরা শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দিয়েছি, প্ল্যাটফরম তৈরি করে দিয়েছি। যা অনেক প্রতিষ্ঠানই পারেনি।
তিনি বলেন, বিশ^ব্যাংক যখন পদ্মাসেতুর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, উই ক্যান, আই ক্যান। নানা সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও তার নেতৃত্বেই পদ্মাসেতু তৈরি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষা নিয়ে আমরা বলেছি, উই ক্যান। আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। তবুও আমরা সরকারি অর্থ সহায়তার জন্য বসে না থেকে নিজের অর্থায়নেই কাজ করার চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেমন শাসন করেছি, তেমনি অন্তর থেকে ভালোবেসেছি। তাদের সঙ্গে আমার যে বন্ধন তা কখনো ছিঁড়বে না। এরমধ্যে দিয়েই কলেজের অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমি বিশ^াস করি আমি চলে গেলেও এ কলেজের পরিবেশ এমনই থাকবে। রাজশাহী কলেজ আমার প্রাণ।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে রাখেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. তানভীরুল হক, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. জুবাইদা আয়েশা সিদ্দীকা, রাজশাহী কলেজ বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. গোলাম কবীর, মাউশির সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. ইলিয়াস হোসেন, সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আল-ফারুক চৌধুরী, বিদায়ী অধ্যক্ষ পত্নী সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে অধ্যক্ষকে গার্ড অব ওনার প্রদান করে রাজশাহী কলেজ বিএনসিসি ইউনিট ও রোভার স্কাউট। এরপর রাজশাহী কলেজের বিভিন্ন সহশিক্ষা সংগঠন, রাজশাহীর বিভিন্ন সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র এবং ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকেই বিদায়ী অধ্যক্ষকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষের কর্মপরিসর ও ব্যক্তিজীবন সম্পর্কিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের শেষে ‘প্রজন্মের প্রথিকৃৎ’ শীর্ষক অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। যেখানে স্থান পেয়েছে প্রফেসর হবিবুর রহমানের ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া রাজশাহী কলেজের চিত্র। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় নৈশভোজ এবং কলেজের শিক্ষকবৃন্দের বক্তব্য, উত্তরীয়, ক্রেস্ট ও উপহার প্রদান ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২৮টি সূচকে ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা চারবার এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ১৪টি সূচকে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চারবার সেরার মুকুট পরেছে রাজশাহী কলেজ। পেয়েছে মডেল কলেজের খেতাব। পরবর্তী র‌্যাংকিং ঘোষণাতেও প্রথম হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছে কলেজটি। এসকল অর্জনের কারিগর অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান।
প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার গোপীনাথপুরে ১৯৬২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মোকবুল হোসেন ও মা নাম সাইফুন বিবি। দুজনের কেউই বেঁচে নেই। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিজ্ঞানে লেখাপড়া শেষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ি কলেজে ১৯৮৬ সালে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। ২০০৯ সালে উপাধ্যক্ষ হিসেবে রাজশাহী কলেজে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে এই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাজশাহীর পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত কলেজটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম কলেজের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় প্রাচীনতম কলেজ। ১৮৭৩ সালে দুবলহাটীর রাজা হরলাল রায় বাহাদুরের আর্থিক সহায়তায় স্থাপিত হয় রাজশাহী কলেজ।
১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় একমাত্র রাজশাহী কলেজেই স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে পাঠদান করা হতো। দীর্ঘ পথযাত্রায় অনেক প্রথিতযশা ব্যক্তি এ কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। অবিভক্ত বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ছাড়াও আসাম, বিহার ও ওড়িশার শিক্ষার্থীরা রাজশাহী কলেজে পড়তে আসতেন। বর্তমানে কলেজে ২৪টি বিভাগে স্নাতক সম্মান, স্নাতকোত্তর, ডিগ্রি ও এইচএসসি পর্যায়ে প্রায় ত্রিশ হাজার শিক্ষার্থীকে পাঠদানের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গ ও দেশের শিক্ষাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর এই প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের রূপকার প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান।

ফেব্রুয়ারি ০৪
০৫:২০ ২০২১

আরও খবর

বিশেষ সংবাদ

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে রাবির টুকিটাকি চত্বর

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে রাবির টুকিটাকি চত্বর
Spread the love

Spread the loveস্টাফ রিপোর্টার ,রাবি: টুকিটাকি চত্বর। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিরপরিচিত একটি চত্বর। প্রায় ৩৫ বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়টির লাইব্রেরি চত্বরে ‘টুকিটাকি’ নামের ছোট্ট একটি দোকান চালু হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে টুকিটাকি নামটি ছড়িয়ে পড়ে। দোকানটি ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। ফলে সবার অজান্তেই একসময় লাইব্রেরি চত্বরটির নাম

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯ মার্চ

৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯ মার্চ
Spread the love

Spread the loveসানশাইন ডেস্ক : ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। এই পরীক্ষা ১৯ মার্চ নেয়ার দিন ধার্য করেছে পিএসসি। বুধবার বিকেলে পিএসসিতে এক অনির্ধারিত সভায় যথাসময়ে এই পরীক্ষা নেয়ার মত দেয়া হয়। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে এ অনির্ধারিত সভায় কোনো আলোচনা হয়নি।

বিস্তারিত