Daily Sunshine

রাজশাহীতে কমছে না তেল-চালের দাম

Share

স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশের মত রাজশাহীতেও দাম কমার নাম নেই তেল ও চালের। ভরা মৌসুমে দাম বেশি হওয়ার যৌক্তিক কারণ না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। তবে এ সপ্তাহে আবারও কমেছে বেশ কিছু সবজির দাম।
শুক্রবার নগরীর সাহেব বাজারসহ বেশ কয়েকটি কাচাঁ বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাচাঁমাল ও ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল অন্য দিনের মতোই। দাম কম হওয়ায় ক্রেতাদের ভিড় জমেছে সবজির দোকানে। তবে আগের মতোই প্যাকেটজাত সয়াবিন ১২০ টাকা ও খোলা জাতের সয়াবিন ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কবে নাগাদ কমতে পারে দাম জানেন না দোকানীরাও।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা করে কমেছে বেশ কিছু সবজির দাম। গত সপ্তাহে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকায়। আর প্রতি কেজি বেগুন ২৫ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
অপরিবর্তিত আছে বেশ কিছু সবজির দাম। গত সপ্তাহের মতোই মুলা ১০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শিম জাতভেদে ২৫ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকা ১০ টাকা, বাধাকপি ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
এছাড়াও মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কলা হালি প্রতি ১৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
আবারও কমেছে আলু-পেঁয়াজের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমে আলু বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকায়। আর কেজিতে ৫ টাকা কমে নতুন পেঁয়াজ ৩০ টাকা ও আমদানি করা পেঁয়াজ আগের মতোই ২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
অপরিবর্তিত আছে আদা, রসুন ও কাঁচামরিচের দাম। গত সপ্তাহের মতোই জাতভেদে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে রসুন ও ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে আদা। আর কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে।
শাকের মধ্যে প্রতি আঁটি (এক কেজি) লাল শাক ২৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা, ধনে পাতা ১০ টাকা, সবুজ শাক ৩০ টাকা ও পালং শাক ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মুরগীর মধ্যে ব্রয়লার ১২৫ টাকা, সোনালী ১৮০ টাকা, দেশি মুরগী ৩৭০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৫০ টাকা, দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি রাজহাঁস ৪৫০ টাকা ও পাতিহাঁস ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে আগের মতোই গরুর মাংস ৫৫০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ডিমের মধ্যে পোল্ট্রির সাদা ডিম ২৪ টাকা, লাল ডিম ২৮ টাকা ও হাঁসের ডিম ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব রকমের চালের দাম। আগের মতোই আটাশ ৫৮ টাকা, মিনিকেট ৬০ টাকা, স্বর্ণা ৫০ টাকা, কাটারিভোগ ৬০ টাকা, কালোজিরা আতপ ১০০ টাকা, বাসুমতী ৬৮ টাকা, নাজিরশাইল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
মাছের মধ্যে, প্রতি কেজি ইলিশ আকারভেদে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা, সিলভার ১৩০ টাকা, রুই ২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ টাকা, বাটা মাছ ১৪০ টাকা, মৃগেল জাতভেদে ১৩০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা, দেশি কৈ ৬৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০ টাকা, কালবাউস ৩২০ টাকা, কাতলা মাছ ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

জানুয়ারি ০৯
০৫:০৬ ২০২১

আরও খবর