Daily Sunshine

ইউজিসির প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক : বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান রাবি ভিসি

Share

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে একপেশে ও পক্ষপাতমূলক বলে দাবি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান।
ইউজিসির ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন সম্পর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান বলেন, ‘ইউজিসি গঠিত তদন্ত কমিটি যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তা সম্পর্কে উপাচার্য হিসেবে আমি অবহিত নই। তবে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সূত্র দিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলো জনমনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য দেশের মানুষ ও সরকারের কাছে আমার অবস্থান স্পষ্ট করার তাগিদ অনুভব করছি।’
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো আমলযোগ্য অভিযোগের তদন্ত বাঞ্চনীয়। আমি তদন্তের বিপক্ষে নই। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ যথাযথ হলে তা তদন্তে একশভাগ সম্মত আছি। তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বা আইনসিদ্ধভাবে, পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে। এই বিষয়ে আমি গত ৯ সেপ্টেম্বর ইউজিসির চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়ে জানিয়েছিলাম। আমি আশা করেছিলাম সেই পত্র বিবেচনায় নিয়ে চেয়ারম্যান পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কিন্ত তা বাস্তবে ঘটেনি। বরং আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বলাবাহুল্য প্রতিবেদনটি একপেশে এবং পক্ষপাতমূলক।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রশাসনের (সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মিজানউদ্দিন ও তাঁর নেতৃত্বাধীন) বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে দাবি করে উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান আরও বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত বড় বড় আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকাস্থ অতিথি ভবন ক্রয়ে ১৩ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে হেকেপ প্রকল্পের সাড়ে ৩ কোটি টাকা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণে ৮০ লক্ষ টাকা তছরূপের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ডিকেট কর্তৃক তদন্ত কমিটি গঠন করি। এরপর থেকেই এসব অপকর্মের সাথে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে বিভিন্ন দফতরে দফায় দফায় আমার বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগসমূহ উত্থাপন করেছে।’
ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে মেয়ে-জামাইকে নিয়োগ দিতে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করার যে বিষয়টি বলা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান বলেন, ‘২০১২ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত ১৯৮৫ ও ১৯৯২ সালে প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ কার্যক্রম চালু ছিল। কিন্তু দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গ্রেডিং পদ্ধতি প্রবর্তন হওয়ার পর সনাতন পদ্ধতির সাথে গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রাপ্ত জিপিএ সংযোজনপূর্বক শিক্ষক নিয়োগে নীতিমালা ২০১২ সালের ১০ মে তারিখের সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদিত হয়। সাবেক উপাচার্য মুহম্মদ মিজানউদ্দীন দায়িত্ব গ্রহণের পর এই নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। কিন্তু পরে তিনি ২০১৪ সালে তাঁর কন্যার এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে ভিত্তি ধরে শুধুমাত্র ইংরেজি বিভাগের নিয়োগে যোগ্যতা পুননির্ধারণ করেন। তাঁর কন্যাকে ২০১৪ সালের নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়ার মাত্র ১০ দিনের মাথায় ২০১৫ সালে সিন্ডিকেট সভায় সকল বিভাগ ইনস্টিটিউটের জন্য অতি উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন নিয়োগ নীতিমালা অনুমোদিত হয়। কিন্তু সাবেক উপাচার্য প্রণীত শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা অতি উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া সম্ভব হচ্ছিলো না। এসব বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার জন্য প্রশাসনকে লিখিতভাবে অনুরোধ করে। তাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ‘৪৭২তম সিন্ডিকেট সভার ৪৩নং সিদ্ধান্তে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ ৭ জনকে নিয়ে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক নিয়োগ নীতিমালা পুনঃপ্রণয়ণকল্পে একটি কমিটি গঠন করা হয়। চার মাস পর কমিটির সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পুনঃপ্রণয়ণ করা হয়। এই নীতিমালায় অনেক বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। কিন্তু মেয়ে-জামাই নিয়োগ পাওয়ার পরই অভিযোগ তোলা হয়েছে মেয়ে-জামাইকে নিয়োগ দেয়ার জন্যই নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়। অশুভ রাজনীতিতে জড়িয়ে গেছে এমন একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছে।’
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পুনরায় নির্ধারণের জন্য ২০১৭ সালে ৭ সদস্যের যাচাই বাছাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর সিন্ডিকেট সভা অনুমোদনক্রমে শিক্ষক নিয়োগের নতুন নীতিমালা প্রণীত হয়। এনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন। আদালত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রায় দিয়ে এই নীতিমালা যথাযথ অনুসরণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।’
ইউজিসির শুনানিতে উপস্থিত না হওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, রীতি অনুযায়ী ইউজিসির তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তদন্ত কাজ করার কথা। যেটা ইউজিসি এর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরেজমিন গিয়েই করেছে। রাবির ক্ষেত্রে তাঁরা করোনা পরিস্থিতির কথা বলে আসতে অপরগতা জানিয়েছেন। তাহলে একই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত রাবির উপাচার্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কীভাবে ঢাকায় গিয়ে তদন্তে সহায়তা করতে বলেন তাঁরা? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কী এতোটাই গুরুত্বহীন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান?’
একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি উপাচার্য নানা অজুহাতে দখলে রেখেছিলেন বলে উল্লেখ করে এজন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা পরিশোধে তাগাদা দিতে সরকার ও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। বিষয়টি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করে অধ্যাপক সোবহান বলেন, ‘দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগ পাওয়ার পর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ একজন অধ্যাপক হিসেবে আগেই যে বাড়িটি বরাদ্দ পেয়েছিলাম, সেখানেই বসবাস করছিলাম। দায়িত্ব গ্রহণ করলেও উপাচার্যের বাসভবনে উঠি নাই। যখন উপাচার্যের বাসভবনে উঠেছি, তখনই ওই বাড়িটি ছেড়ে দিয়েছি। অথচ ষড়যন্ত্রকারীরা মিথ্য অভিযোগ করেছে- উপাচার্যের বাসভবন এবং অধ্যাপক হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া বাড়িটি আমি একই সময়ে দখলে রেখেছি। যেটা পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। এনিয়ে অভিযোগকারীদের দেয়া ভুল তথ্যই ইউজিসি তুলে ধরেছে। যেটা তদন্ত পক্ষপাতের অন্যতম দৃষ্টান্ত।’
উপাচার্য আব্দুস সোবহান বলেন, ‘তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেনি। তারা অভিযোগ তদন্ত শুরুর পর কয়েকটি নথিপত্র চেয়ে চিঠি দেয়। সেগুলো বস্তা আকারে আমরা পাঠিয়েছি। পরে আবার কিছু অভিযোগ যুক্ত করে নথিপত্র চান। সেটাও দিয়েছি। তৃতীয় দফায় আবারও একই বিষয়ের নথি চাইছেন। একই বিষয়ের নথি বারবার চাওয়ার বিয়ষটিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
তিনি আরও বলেন, উপাচার্য পদে আসীন হওয়ার স্বপ্নে বিভোর কয়েকজন বিপথগামী শিক্ষক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে নোংরামি করছে। অথচ তারা যে ৭/৮ মিলে ষড়যন্ত্র করছে। আমি চলে যাওয়ার পর আগামীতে উপাচার্য পদে তাদের একজনই যদি নিয়োগ পান। তবে অপর ৬/৭ জন সেই উপাচার্যের বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্র শুরু করবে। অশুভ এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। সরকারের উচিত এ অশুভ প্রতিযোগিতা থামানো।’
ইউজিসির তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে উপাচার্য ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পত্তি ও আয়ের উৎস গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে খতিয়ে দেখার সুপারিশ করার বিষয়ে উপাচার্য সংবাদ সম্মেলনে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করছি- দেশের যেকোন সংস্থা দিয়ে আমার ও আমার নিকটজনদের সম্পদ খতিয়ে দেখা হোক।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কবরস্থান সংলগ্ন হেফজখানার নাম নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য বলেন, আব্দুস সোবহান হেফজখানা হলে সেটা নিজস্ব নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে মেনে নিতাম। কিন্তু এটা সোবহানীয়া আল কুরআনুল কারীম হেফজখানা করার কারণ হল গোরস্থানের পাশে এটি হওয়ায় সেখানে যারা শায়িত আছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এটা করা হয়েছে। সুবহানীয়া শব্দের অর্থ পবিত্র। সেখান থেকে এ নামকরণ করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই তার নিজস্ব নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম.এ বারী, প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান, জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অক্টোবর ২৬
০৬:৪৩ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

শীতের আমেজে আহা…ভাপা পিঠা

শীতের আমেজে আহা…ভাপা পিঠা

রোজিনা সুলতানা রোজি : প্রকৃতিতে এখন হালকা শীতের আমেজ। এই নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায় ভাপা পিঠার স্বাদ নিচ্ছেন সবাই। আর এই উপলক্ষ্যটা কাজে লাগচ্ছেন অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। লোকসমাগম ঘটে এমন মোড়ে ভাপা পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে পড়ছেন অনেকেই। ভাসমান এই সকল দোকানে মৃদু কুয়াশাচ্ছন্ন সন্ধ্যায় ভিড় জমাচ্ছেন অনেক পিঠা প্রেমী। রাজশাহীর বিভিন্ন

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

সানশাইন ডেস্ক : রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ৩ এপ্রিলের স্থগিতকৃত নিয়োগ পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সেকশন অফিসার ও পাবলিক রিলেশন অফিসার পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদের লিখিত

বিস্তারিত