Daily Sunshine

‘আলু ভর্তা’ এখন অভিজাত শ্রেণীর খাবার!

Share

স্টাফ রিপোর্টার : সেদ্ধ আলু, কাঁচা বা শুকনো মরিচ, সাথে শর্ষের তেল সবগুলো উপাদান মিশিয়ে চটকে বা কচলিয়ে তৈরি ভর্তা নামের বিশেষ খাবারটি একসময়ে নিম্নবিত্তের আয়ত্বে থাকলেও এখন তা তাদের আয়ত্বের বাইরে। এখন ‘আলু ভর্তা’ অভিজাত শ্রেণীর খাবারের তালিাকয় ঠাই করে নিয়েছে। কারণ আলু ভর্তা তৈরির উপকরণের মূল্য নিম্মবিত্তের সাধ্যের বাইরে; আর এসব পণ্যের বাজার সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) খুচরা বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া পেঁয়াজ ৮৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০, শুকনা মরিচ ৩০০ টাকায়, আর শর্ষের তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। অথচ দুই মাস আগেও আলু বিক্রি হয়েছে ২০ টাকায়, পেঁয়াজ ৩০, কাঁচামরিচ ৬০টাকায়। বাজার ভেদে কোথাও কোথাও আরো বেশি দাম নেয়া হচ্ছে। এ হিসেবে ব্রয়লার মুরগীর দামই তুলনামূরক কম। তবে ব্রয়লার মুরগীর মাংস রান্না করে খেতেও লাগে পেঁয়াজ-মরিচ।
গত কয়েক বছর থেকে জুলাই মাসের পর থেকেই পেঁয়াজের সাথে মরিচেরও মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। গেল বছর এসময় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকায়। মরিচেরও ছিলো প্রায় একই অবস্থা।
তবে এবারই প্রথম আগস্ট মাস থেকে আলুর দাম বাড়তে থাকে। অক্টোবরের প্রথম সম্পাহে এসে যা অস্বাধাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। নতুন আলু উঠবে ডিসেম্বরে। মরিচ ও পেঁয়াজের দাম বর্ষা ও সংরক্ষণের অজুহাতে বৃদ্ধি করা হলেও আলু সংরক্ষণের জন্য দেশে পর্যাপ্ত কোল্ডস্টোরেজ আছে। তাছাড়া আমাদের আলুর যে চাহিদা তার একটা বড় অংশই দেশের কৃষকরা উৎপাদন করে থাকেন। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমারা আমদানি নির্ভর হলেও, আলু অনেক ক্ষেত্রে আমরা রফতানি করে থাকি। কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ পরে প্রায় সাড়ে ৮ টাকা।
সরকারি হিসেবে, বাংলাদেশে গত আলুর মৌসুমে প্রায় এক কোটি ৯ লাখ টন আলু উৎপাদিত হয়েছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, দেশে মোট আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ লাখ ৯ হাজার টন। এতে দেখা যায় যে, গত বছর উৎপাদিত আলু থেকে প্রায় ৩১ লাখ ৯১ হাজার টন আলু উদ্বৃত্ত থাকে। কিছু পরিমাণ আলু রফতানি হলেও ঘাটতির সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ।
আলুর মৌসুমে যখন হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে তখন প্রতি কেজি আলুর মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ১৪ টাকা। প্রতি কেজি আলুতে হিমাগার ভাড়া বাবদ তিন টাকা ৬৬ পয়সা, বাছাই খরচ ৪৬ পয়সা, ওয়েট লস ৮৮ পয়সা, মূলধনের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২ টাকা ব্যয় হয়। অর্থাৎ এক কেজি আলুর কোল্ড ষ্টোরেজ পর্যায়ের সর্বোচ্চ ২১ টাকা খরচ পড়ে।
অবশ্য আলুর মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন সরকার। পেঁয়াজের মতো আলুর খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। আর এজন্য পেঁয়াজের মতো আলুর বাজারও তদারকি করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে।
প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রির বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদফতর। তাই ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। সম্প্রতি কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

অক্টোবর ১৫
০৭:২৯ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

নগরীর পুরাতন বইয়ের বাজার, কেমন আছেন দোকানীরা?

নগরীর পুরাতন বইয়ের বাজার, কেমন আছেন দোকানীরা?

আবু সাঈদ রনি: সোনাদীঘি মসজিদের কোল ঘেষে গড়ে উঠেছে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী পুরাতন বইয়ের দোকান। নিম্নবিত্ত ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল এই পুরাতন লাইব্রেরী। মধ্যবিত্তরা যে যায় না ঠিক তেমনটিও না। কি নেই এই লাইব্রেরীতে? একাডেমিক, এডমিশন, জব প্রিপারেশনসহ সব ধরনের বই রাখা আছে সারি সারি সাজানো। নতুন বইয়ের দোকানের সন্নিকটে

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সানশাইন ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। রাবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর পদ সংখ্যা: ০১ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ফিজিওখেরাপি) পদ সংখ্যা: ০২ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ডেন্টাল) পদ সংখ্যা:

বিস্তারিত