Daily Sunshine

মহল্লায় মহল্লায় মেয়র আব্বাসের ছোয়া

Share

স্টাফ রিপোর্টার : গত ৫ বছরে মহল্লায় মহল্লায় উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে মেয়র আব্বাসের। জনগণের কল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটি প্রতিনিয়তই পৌরবাসীর সাথে যোগাযোগ করে চলছে। দলবল নির্বিশেষে তৃণমুলের জনগণের চোখের মনি হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। যা উপকারভোগিদের কাছে থেকেই জানা যাক।
প্রতিবন্ধি আসাদুজ্জামান (৪০) পরিবারের সদস্যরা জানালেন, আগের মেয়রের সময় টাকা নিয়ে ও কেউ কার্ড করে দেয়নি। এই মেয়র কার্ড করে দিয়েছে। করোনার প্রথম দিক আলু সাবান তেল চাল দিয়েছে। আরো জানালেন এই ওয়ার্ডের যাদের হোল্ডিং নাম্বার আছে তারা সবাই নাকি সেমাই পেয়েছেন। শিশুভাতার (মাতৃত্ব) উপকারভোগি ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান (৩৯) বলেন, কাটাখালী পৌরসভায় যত মেয়র এসেছে এরকম অনুদান কেউ দেয়নি। তিনি মেয়রের কাছে শিশুভাতার বিষয়টি বলার কিছুদিনের মধ্যে কার্ড করে দিয়েছেন।
বয়স্কভাতার সুবিধাভোগি পালপাড়ার প্রবীন বাসিন্দা নুরমান (৮১) জানান, আগে বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে ব্যাংকে যাওয়া লাগতো, সেই সকাল থেকে বিকাল পর‌্যন্ত বসে থাকা লাগতো। মেয়র নিজ থেকে ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এখন পৌরসভায় টাকা তুলতে যান। চা,নাস্তাও পান।পৌরসভার লোকেরা ভালো ব্যবহার করে।
এমাদপুর, চিনিকল বাজার (রুপসীডাঙ্গা), শাহাজীপাড়া, এমাদপুর নতুনপাড়া নিয়ে কাটাখালী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড গঠিত। এমাদপুরের মুদি দোকানী বর্তমান পৌরসভার বিভিন্ন দিকগুলো তুলে ধরেন। বললেন আগে এই এলাকায় মাদক এ ভরপুর ছিল। বিভিন্ন এলাকার ছেলেদের আড্ডা বসতো। মটরসাইকেল নিয়ে আসতো তারা। এখন অনেক কম দেখা যায়। মেয়রের চেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। শুনেছি অনেকে শিশু ভাতাও পাচ্ছে। আগামীতেও বর্তমান মেয়রকে দেখার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম লিটন জানান, বর্তমান মেয়র সাহেব আসার পর রাজনৈতিক কোন্দল অনেকটা কমে গেছে। মাদকের প্রভাব কমে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে হওয়ায় প্রায় সময় বিশৃঙ্খলা লেগে থাকতো বিগত মেয়রের আমলে। এখন এটা নাই বললেই চলে। এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
এখন থেকেই পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে চলছে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। পৌরসভার পাড়া মহল্লার মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে এ নিয়ে সম্মানিত ভোটারগণ ঝড় তুলছেন। একেক প্রার্থীর সমর্থিত ভোটার পক্ষে বিপক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরছেন। আরো কিছু ভোটরের মুখ থেকে জেনে নেয়া যাক বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন প্রার্থীকে বিজয়ী করলে জনগণের প্রাপ্যতা ও আশা আকাঙ্খা পূরণ হবে।
৫ নম্বার ওয়ার্ড মাসকাটাদিঘীর জসিম উদ্দিন (৭৮) বলেন, বর্তমান মেয়রের সময়ে পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মেয়র আব্বাস এখন কোন দলের নয়। মেয়র এখন কাটাখালী পৌরসভার ব্র্যান্ড। তার ভালবাসায় পৌরবাসী সিক্ত। প্রত্যেক ঘরে ঘরে আব্বাসের গুণগান বইছে। দেওয়ানপাড়া মোড়ের চায়ের দোকানদার দুলাল হোসেনও যোগ দেন তার সাথে। তিনি বলেন, ‘মেয়র আব্বাস এই কয়েক বছরে পৌরবাসীর মন জয় করেছে। আমার চায়ের দোকানে অনেকের আলোচনা থেকেই কথাটি বলছি। খরিদ্দার এসে ভোট নিয়ে কথা-বার্তা বললেই আব্বাসের কথাই বেশী ভাসে’।
পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামপুর এলাকার রিকশাচালক জাহাঙ্গীর আলী (৬০) বলেন, এই মেয়রের সময়ে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতাসহ সকল ভাতাভোগি বিনা খরচে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আগে ভাতার কার্ড নিতে টাকা লাগতো। এখন টাকাতো লাগেই না বরং এসব গরিব মানুষকেই আরো অনুদান দিয়ে থাকেন। মেয়র আব্বাস দলবল নির্বিশেষে গরিব, দুস্থসহ সকল মানুষকে সম্মান করেন। যা আগের যেকোন নেতা ও মেয়রকে হার মানিয়েছে। মেয়র পৌরবাসীর আস্থা।
একই গ্রামের মরিয়ম বেগম বলেন, ঈদে ও বিভিন্ন সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌর মেয়র খাদ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন। এরআগে মেয়রতো দুরের কথা কাউন্সিলররাও আমাদের বাড়িতে আসেননি। আমি আল্লার কাছে দোয়া করি আব্বাস অনেক বছর মেয়র থাকুক।
শ্যামপুর মধ্যপাড়া এলাকার খড়ির আড়ৎদার আসাদুজ্জামান মানিক বলেন, আব্বাস মেয়র হওয়ার আগে থেকেই জনগণের কাছাকাছি থেকেছে। মেয়র হওয়ার পরে এই আরো বেড়ে যায়। ভোট দিক আর নাই দিক এই পৌরসভার শতভাগ মানুষই তার ভালটাই বলবে। ভাল কাজ করেছেন বলেই তাকে ভাল বলছেন। মেয়র আব্বাস সব সময় জনগণের খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। করোনা ভাইসরাস সংকটে এই পৌরসভার কোন গরিব, দু:খি, দুস্থ-অসহায় বলতে পারবেন না যে তাদের বাড়িতে মেয়রের খাদ্যসামগ্রী পৌছেনি।
শ্যামপুর মুন্নাপাড়ার মৃত খোদা বক্সের বিধবা স্ত্রী গোলবানু বলেন, যাই ভাল কাজ করছে সেই ভোট পাবে। তবে মেয়র আব্বাস ভোট নিয়ে পালানোর মানুষ নয়। মানুষ হিসেবে মেয়র আব্বাস আমাদের প্রিয়। ভাল কাজ করেছেন ভোট তিনিই পাবেন এবং ভোট না দিলে প্রতারণা করা হবে। নিমুক খেয়েছি, নিমুক হারামি করতে পারবো না।
শ্যামপুর থান্দারপাড়ার জামাল উদ্দিন বলেন, আব্বাস মেয়র হওয়ার পর থেকে এলাকায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা নেই। মেয়র আব্বাসের কাছে গরীব ধনি নেই। সবায়কে সমান চোখে দেখে। মেয়র সবসময়ই জনগণের কল্যানের কথা, ভাল থাকার কথা ভাবেন।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কাসেমের স্ত্রী বেগমা বেগম বলেন, আমরা গরীব মানুষ। আব্বাস মেয়র ভাল কাজ করছেন এবং আমাদের সম্মান করেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বুলু মন্ডলের ছেলে কাঠ মিস্ত্রি সুমন আলী বলেন, দলবল নির্বিশেষে আব্বাস মেয়র অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে করোনাকালিন সময়ে মেয়র যাবতীয় জনবান্ধব পদক্ষেপে তার প্রতি সকলের আস্থা ও বিশ্বাস বেড়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হামিদ জানান, আমি আওয়ামী লীগ দলের লোক হিসেবে বলছি না। আব্বাস মেয়রকে ভোট দিক বা নাদিক কিন্তু সবায় বলতে বাধ্য হবে যে, মেয়র আব্বাস পৌর এলাকায় পর্যাপ্ত সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন। দলবল নির্বিশেষে তিনি এ সাহায্য ও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। যে কেহ পৌরসভায় গেলে হাসি মুখে কথা বলেন এবং সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। যত তাড়াতাড়ি পারেন সমস্যার সমাধান করে থাকেন। নেতাকর্মী বাদেও জনগণের প্রতি তার ব্যবহার সকলকে মুগ্ধ করেছে। তাকে ভোট দেয়া এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
একই ওয়ার্ডের নতুন ভোটার মুন্নী আকতার অনিলা (২০) বলেন, মেয়র আব্বাস সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। আগের মেয়রকে দেখা যেত না। এই মেয়র প্রতি সপ্তাহেই খোঁজ-খবর নেন। এলাকায় দাঙ্গা, মারপিট নেই। মেয়রের ইউটিউবে সবসময়ই জনগণের সাথে কথোপকথোন হচ্ছে। জনগণের আবদার পূরণ করছেন। যন্ত্রের ব্যবহারে অর্থাৎ ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা কাটাখালী পৌরসভা বিনির্মাণে জেলার অন্য মেয়রদের চাইতে এগিয়ে আছেন।
একই ওয়ার্ডের খয়বর রহমানের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৬২) জানান, আব্বাস ভাল কাজ করছে। পৌরসভায় কে খেল, কে পেল না খোঁজ-খবর নিয়ে সে নিজেই বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দেয়। ঈদে সেমাই-চিনিসহ বিভিন্ন ধরণের খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে। গতবার বর্তমান মেয়রকে ভোট দেয়নি কিন্তু এবারে বলা লাগবে না। আমার মত অনেকেই আব্বাসকে ভোট দেয়ার জন্য একপায়ে খাড়া রয়েছে। তার প্রতিক নৌকা থাকলেও আমরা ভোট দিব।

অক্টোবর ০১
১৯:৪২ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আজ বিরল ব্লু মুনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব

আজ বিরল ব্লু মুনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব

সানশাইন ডেস্ক : সাধারণত কোনো মাসে যদি দুবার ফুল মুন অর্থাৎ পূর্ণিমা পড়ে, তবে দ্বিতীয় বা শেষ পূর্ণিমাতে দেখা মিলে ব্লু মুনের। অক্টোবর মাসের প্রথম দিন ছিল পূর্ণিমা। ৩১ অক্টোবর ফের পূর্ণিমা পড়েছে। তাই এই সুযোগ মিলতে চলেছে। ব্লু মুন সাধারণত কোনো মৌসুমের তৃতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে বলা হয়। বসন্ত, গ্রীষ্ম,

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সানশাইন ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। রাবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর পদ সংখ্যা: ০১ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ফিজিওখেরাপি) পদ সংখ্যা: ০২ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ডেন্টাল) পদ সংখ্যা:

বিস্তারিত