Daily Sunshine

উধাও মোটা চাল কেজিতে দাম বাড়লো ৪ টাকা

Share

নওগাঁ প্রতিনিধি: দেশের বৃহৎ চালের মোকাম এবং চাহিদার অনেক বেশী পরিমান উদ্বৃত্ত ধান ও চাল উৎপাদনের জেলা নওগাঁ। দেশের চালের চাহিদার সিংহভাগ সরবরাহ করা হয়ে থাকে এ জেলা থেকে। পাইকারী ও খুচরা বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৩ থেকে ৪ টাকা।
এ জেলায় উৎপাদিত চালের বেশ সুনাম থাকলেও বর্তমানে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এতে করে বিপাকে সাধারন ক্রেতারা। বাজারে সাধারনত খুচরা ক্রেতারা সকলেই শ্রমিক শ্রেণির নিম্নবিত্তের মানুষ। একদিকে তাদের কাজ না থাকায় আয়ের পথ বন্ধ অন্যদিকে চালের এ মুল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্থ করে তুলেছে তাদের।
এদিকে নওগাঁর চালের মোকাম ও খুচরা বাজার থেকে মোটা চাল অনেকটা উধাও হয়ে গেছে। কিছু দোকান ও আড়তে মিললেও গত কয়েকদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৩৮ টাকা কেজি বর্তমানে তা বেড়ে ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ বোরো মৌসুমের শুরুতে দেশের অন্যতম এ মোকামে প্রতি কেজি মোটা চাল পাইকারিতে ৩৭ টাকা ও খুচরায় ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
তবে শুধু মোটা চালই নয়; প্রকারভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল ছিল ৪৭-৪৮ টাকা বর্তমানে ৫০-৫২ টাকা, কাটারী ছিল ৪০-৪৪ টাকা বর্তমানে ৪৫-৪৮ টাকা, ২৮ জাতের চাল ছিল ৪০-৪৪ টাকা বর্তমানে ৪৪-৫৬ টাকা, জিরাশাইল ছিল ৪২-৪৪ টাকা বর্তমানে ৪৬-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার ১১টি উপজেলার ১৯টি সরকারি খাদ্যগুদামের জন্য ৯৬১টি চালকল থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ৪৯ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৩৫ টাকা কেজি দরে ৬ হাজার ৫১ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩২ হাজার ৩৪০ মেট্রিক টন। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম সংগ্রহ হয়েছে।
নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, গত বছরে যে মোটা চাল ২৬-২৭ টাকা বিক্রি করেছি এখন তার দাম ৪১ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয়। বর্তমান বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম মোটা জাতের চালের। তাই চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতরা।
নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, সরকার নির্ধারিত ক্রয়মূল্যের সঙ্গে উৎপাদন খরচের বিস্তর ফারাক হওয়ায় সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করে চালকলের মালিকেরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লোকসান সত্ত্বেও চুক্তি অনুযায়ী গুদামে চাল দেওয়ার জন্য আমরা সংগঠনের পক্ষ থকে মিলারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। এরপরও মিলাররা গুদামে চাল দিতে আগ্রহী হচ্ছেন না।
নওগাঁর মফিজ উদ্দীন অটোমেটিক রাইসমিল মালিক তৌফিকুর রহমান ও শেখ ফরিদ রাইসমিল মালিক শেখ ফরিদ বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে ধান না থাকার কারনে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে প্রতিটি মিলে প্রতি কেজি চাল ১ টাকা বাড়লে খুচরা বাজারে ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়ে এর কারন নির্নয়ের জন্য সরকারের বিশেষ নজরদারী দরকার বলে মনে করছেন তারা।
জেলা ধান-চাল সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব চালকলের মালিক সরকারি গুদামে চাল দেবেন না তাদের বিরুদ্ধে চুক্তির শর্তানুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর পাশাপাশি বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

সেপ্টেম্বর ২৫
০৫:৩৩ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

নগরীর পুরাতন বইয়ের বাজার, কেমন আছেন দোকানীরা?

নগরীর পুরাতন বইয়ের বাজার, কেমন আছেন দোকানীরা?

আবু সাঈদ রনি: সোনাদীঘি মসজিদের কোল ঘেষে গড়ে উঠেছে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী পুরাতন বইয়ের দোকান। নিম্নবিত্ত ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল এই পুরাতন লাইব্রেরী। মধ্যবিত্তরা যে যায় না ঠিক তেমনটিও না। কি নেই এই লাইব্রেরীতে? একাডেমিক, এডমিশন, জব প্রিপারেশনসহ সব ধরনের বই রাখা আছে সারি সারি সাজানো। নতুন বইয়ের দোকানের সন্নিকটে

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

চাকুরির নিয়োগ দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সানশাইন ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। রাবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর পদ সংখ্যা: ০১ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ফিজিওখেরাপি) পদ সংখ্যা: ০২ টি। বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা। পদের নাম: মেডিক্যাল টেকনােলজিস্ট (ডেন্টাল) পদ সংখ্যা:

বিস্তারিত