Daily Sunshine

পত্নীতলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত ১২ জন

Share

পত্নীতলা প্রতিনিধি: পত্নীতলায় ক্রমেই বাড়ছে করোনার সংক্রমণের হার। পাঁচ দিনের মাথায় আরো ১২জন আক্রান্ত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এবার সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের স্বীকার হচ্ছেন। বর্তমানে জনবহুল এ উপজেলায় ক্রমেই বাড়ছে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব।
উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনা সনাক্ত হয়েছে ৪৮জনের। আসন্ন কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে গরুর হাট সহ বাজার ও বিপনী বিতান গুলোতে মানুষের চলাচল বাড়বে। যার ফলে করোনা ভাইরাসের প্রভাব আরো ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাগেছে, বিশেষ করে নজিপুর বাসস্ট্যান্ড, চকনিরখীন (ঠুকনিপাড়া) মোড়, দোচাই মোড়, গগনপুর বাজার, কাঁটাবাড়ি বাড়ি বাজার, পত্নীতলা বাজার, মধইল বাজার, শিবপুর বাজার, জিয়া বাজার (আমবাটি হাট)সহ ছোট বড় উপজেলার বিভিন্ন বাজারের মোড় গুলোতে করোনার প্রভাব বলতে কিছু বোঝার উপায় নেই। এসব এলাকার অনেকের মুখেই নেই মাস্ক, নিরাপদ দুরত্বের বিধি নিষেধ। সবাই যে যার ইচ্ছে মতো চলাচল করছে। প্রশাসনেরও নেই আগের মতো কোন কড়াকড়ি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালিদ সাইফুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত কয়েকদিনে আমাদের উপজেলায় সংক্রমনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা সনাক্ত হয়েছে ৪৮জনের। আক্রান্তরা সকলেই বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস সুত্রে জানাগেছে, গত এপ্রিল থেকে আরম্ভ করে এ পর্যন্ত ৬৩৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে ২ মে প্রথম পত্নীতলা থানার ২ জন কর্মকর্তার করোনা সনাক্ত হয়। মঙ্গলবার পর্যন্ত পাওয়া রিপোর্টে এ উপজেলায় সর্বোচ্চ ১২ জন সনাক্ত হয়। এর আগে গত শুক্রবার ১০ জনসহ ৪৮জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন। হোম আইসোলিউশনে আছেন ২০ জন, প্রাতিষ্ঠানিক আইশোলিউশনে আছেন ৩ জন। এবাদে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৪৮ জন। ৪৩ জনের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
নজিপুর পৌরসভার কলোনী পাড়া এলাকার মৃত ময়েজ উদ্দীনের ছেলে বিসিএস প্রাণী সম্পদ ক্যাডারের ১১তম ব্যাচের কর্মকর্তা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. এমদাদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মৃত্যু হলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার নিজ বাড়ি নজিপুর কলোনী পাড়া এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করা হয়।
এরআগে করোনা শনাক্তের ৪দিনের মাথায় ১৩ জুলাই গত সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আব্দুস সাত্তার (৫৭) নামে এক কর্মীর মৃত্যু হয়। এরও আগে গত ৪ জুলাই শনিবার পত্নীতলার জামগ্রাম গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আবুল কালাম আজাদ (৩৮) রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। জানাগেছে সে অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি হলে সেখানে তার করোনা সনাক্ত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন সরকার জানান, এ পর্যন্ত পত্নীতলায় করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

জুলাই ১৬
০৫:৪২ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

রাজশাহীর রেশম শিল্পেও করোনার থাবা

রাজশাহীর রেশম শিল্পেও করোনার থাবা

স্টাফ রিপোর্টার : চলমান করনোকালে চরম অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর রেশম শিল্প। বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ধুঁকে ধুঁকে চলা এ শিল্পখাত আরো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই মাসের লকডাউনে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে সিল্কের তৈরি পোশাকখাত। এখন সিল্কের তৈরি পোশাকের শো-রুম খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি নেমে এসেছে

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরিতে আরও বেড়েছে ফাঁকা পদ

সরকারি চাকরিতে আরও বেড়েছে ফাঁকা পদ

সানশাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়ায় বেড়েছে চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা, সঙ্গে ফাঁকা পদের সংখ্যাও বাড়ছে। সরকারি চাকরিতে এখন তিন লাখ ৮৭ হাজার ৩৩৮টি পদ ফাঁকা পড়ে আছে, যা মোট পদের ২১ দশমিক ২৭ শতাংশ। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলছেন, অগাস্ট মাসে কোভিড-১৯ সংক্রমণ কমে আসবে

বিস্তারিত