Daily Sunshine

নগরীর ধরমপুরে আইন উপেক্ষা করে ভবণ নির্মাণের অভিযোগ

Share

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীর বিনোদপুরের ধরমপুর পূর্বপাড়ায় ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছে আরডিএ কর্তৃপক্ষ। তবে দায়ের করা মামলার নিষ্পত্তি না হলেও চলমান রয়েছে ভবন নির্মাণের কাজ।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ইয়াদ আলী (৫৫)। আইন উপক্ষো করে ভবন নির্মাণ করায় ভূক্তভোগী হচ্ছেন ইয়াদ আলীর প্রতিবেশি নাসির উদ্দিন। অবৈধভাবে রাস্তা না ছেড়ে ভবন নির্মাণ করায় ইয়াদ আলীর বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোন রাস্তা নেই। তিনি নাসির উদ্দিনের জমির উপর দিয়ে যাতায়াত করেন বলে অভিযোগ করেন নাসির উদ্দিন।
আরডিএ’র করা মামলার অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ইয়াদ আলী ধরমপুর মৌজার আরএস ৫৫৫ নম্বর দাগে বহুতল পাকা ইমারত নির্মাণ করছেন। কিন্তু সেটি ১৯৫২ সালের ইমারত আইন অনুযায়ী অনুমোদিত নকশা মেনে করেননি। ফলে তিনি কোন জায়গা না ছেড়েই ভবন নির্মান করেছেন। এমনকি বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তাটুকুও ছাড়েননি। ফলে প্রতিবেশি নাসির উদ্দিনের জমি দিয়ে যাতায়াত করছেন তারা। এতে বিপাকে পড়েছেন প্রতিবেশি নাসির উদ্দিন।
বিষয়গুলো আরডিএ কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট একটি নোটিস প্রদান করা হয়। এতে বলা হয়, ১৯৫২ সালের ৩ (খ) ধারা উপেক্ষা করে দুই তলা পর্যন্ত নির্মাণের কাজ করেছেন। এটির অনুমোদিত নকশা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এ কারনে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়াও কেন ভবনটি ভেঙে ফেলা বা অপসারণ করা হবে না- তার সন্তোষজনক জবাব ৭ দিনের মধ্যে আরডিএ’র অথরাইজড অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়।
এতে আরও বলা হয়, গ্রহণযোগ্য জবাব প্রদান না করলে আর কোন বক্তব্য না শুনেই পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে।
৩০ আগস্ট প্রদত্ত নোটিসের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় আরডিএ ২ অক্টোবর আবারো নোটিস প্রদান করে। এই নোটিসে ৩০ দিনের মধ্যে ভবন অপসারণের জন্য বলা হয়। আসামী নোটিসটি ৩ অক্টোবর গ্রহণ করেন। কিন্তু তা আমলে নেননি। পরবর্তীতে ১৯ নভেম্বর একই নিয়মে আবারো আরডিএ কর্তৃক নোটিস প্রদান হয়। এছাড়াও তৃতীয় নোটিস মতিহার থানার এসআই আক্তার হোসেনের মাধ্যমে ২৪ নভেম্বর আইন মতে প্রদান করা হয়।
এর বাইরেও ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি স্থাপনা অপসারণের নোটিস প্রদান করা হয়। এরপর ঐ বছরের ৮ আগস্ট স্থাপনা অপসারণের জন্য আবারো নোটিস প্রদান করা হয়।
১২ আগস্ট ঐ ভবনের স্কেচ ও রিপোর্টও ইয়াদ আলীর বিপক্ষে গেলে আরডিএ’র পক্ষে প্রাপ্ত দায়িত্ব বলে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আরডিএ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ইমারত পরিদর্শক (অতিঃ দায়িত্ব) সৈয়দ মাকসুদুল আহসান। মামলার কপি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আরডিএ’র বারংবার নোটিস ও মামলার পরেও ভবন নির্মাণ অব্যাহত রেখেছেন ইয়াদ আলী। কোন ধরনের নিয়ম-কানুন মানছেন না তিনি। এভাবে নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে দ্রুতই অভিযুক্ত ইয়াদ আলী সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করে ফেলবেন বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।
এসকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াদ আলী বলেন, আমরা জায়গা ছেড়েই ভবন নির্মাণ করেছি। বরঞ্চ, নাসির উদ্দিনের বাড়ির দেয়ার পর্যন্ত আমাদের জমিতে রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আরডিএ ও পুলিশের প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদন্ত করে তেমন কোন অনিয়ম খুঁজে পাননি এবং ভবন নির্মাণে বাঁধা দেননি বলে জানান তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৩
০৪:৩৮ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সানশাইন ডেস্ক : মহামারি কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যবস্থা। বৈশ্বিক এ মহামারির নিদারুণ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। অথচ এমন ঘোর অমানিশার মাঝেও আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন তিনি। তিনি-ই সম্প্রতি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে রেকর্ড গড়ার খবর দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মহামারিকালে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সানশাইন ডেস্ক : রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে সাহেদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা

বিস্তারিত