Daily Sunshine

অহংকারের একুশে

Share

সানশাইন ডেস্ক : মাতৃভাষা রক্ষার জন্য ৪৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী ‘বাংলাভাষা প্রচার তহবিল’ গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এমতাবস্থায় তমদ্দুন মজলিসের কেন্দ্রীয় পরিষদ সেদিন ‘বাংলাভাষা প্রচার তহবিল’ নামে রাষ্ট্রভাষা প্রচার তহবিলের জন্য অনুদান চেয়ে আবেদন পাঠায়।
বদরুদ্দীন উমরের ‘পূর্ববাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’ গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, ১৯৪৭ সালের ২০ ডিসেম্বর ‘বলিয়াদী হাউসে’ পার্লামেন্টারি উপদলের এই জাতীয় একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ডক্টর মালেকসহ ১৬ জন উপস্থিত ছিলেন না। উপস্থিত ছিলেন কমরুদ্দীন আহমদ তাজউদ্দীন আহমদ শেখ মুজিবুর রহমান শওকত আলী শামসুজ্জোহা আসলাম আবদুল আউয়াল আজিজ আহমদ মহিউদ্দীন আহমদ আতাউর রহমান খান কফিলউদ্দীন চৌধুরী কাদের সর্দার ও মতি সর্দার। পরদিন মুসলিম লীগ পার্লমেন্টারি পার্টির সভায় খাদ্য সমস্যা পাট সমস্যা ইত্তেহাদ, মন্ত্রী ও পার্লামেন্টারি সেক্রেটারিদের মাইনে ইত্যাদি প্রশ্নেও এই আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়। নাজিমুদ্দীনের মন্ত্রী অপসারণের আশঙ্কার প্রশ্নও আলোচনার অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিকল্প মন্ত্রী যার নেতৃত্বে গঠিত হবে কর্মীরা তার নাম জানতে চান। পার্লামেন্টারি পার্টির নেতারা এই প্রশ্নের জবাব ২২ ডিসেম্বর দেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। এই বৈঠক রাত আটটা পর্যন্ত চলে। পরে একটি মোটরগাড়িতে চড়ে তাজউদ্দীন আহমদ শওকত আলী শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দীন পলাশী ব্যারাক, সলিমুল্লাহ, নীলক্ষেত ব্যারাক, ফজলুল হক হল, ইঞ্জিনিয়ারিং হোস্টেল ও নিমতলী মেসে ‘ইত্তোহাদ’ কাগজ বিতরণ করেন। ইত্তেহাদ সে সময় নাজিমুদ্দীনবিরোধী উপদলটিকে সমর্থন করত। এজন্য ইত্তেহাদকে সরকারীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে সময় লোক মারফত বড় বড় প্যাকেটে ইত্তেহাদ ঢাকায় আসত। ইত্তেহাদে নাজিমুদ্দীন বিরোধী নানা কথা প্রচার হতো।

ফেব্রুয়ারি ১২
০৫:০৩ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

নতুন রূপ পাচ্ছে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সোনাদীঘি

নতুন রূপ পাচ্ছে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সোনাদীঘি

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী সোনাদীঘি নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে। একই সাথে সোনাদীঘি ফিরে পাচ্ছে তার হারানোর ঐতিহ্য। সোনাদীঘিকে এখন অন্তত তিন দিক থেকে দেখা যাবে। দিঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে পায়ে হাঁটার পথসহ মসজিদ, এমফি থিয়েটার (উন্মুক্ত মঞ্চ) ও তথ্যপ্রযুক্তি

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সানশাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থগিত ছিল সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ কয়েক মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পায়নি দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী। অংশ নিতে পারেনি কোনো নিয়োগ পরীক্ষাতেও। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরির আবেদনে সুযোগ শেষ হয়ে যায় তাদের। তবে এ দুর্যোগকালীন

বিস্তারিত