Daily Sunshine

চাই সন্ত্রাস মুক্ত ক্যাম্পাস যাতে আর কোন সন্তানকে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে না হয়

Share

শিক্ষাঙ্গণের সন্ত্রাসে ঝরে যাচ্ছে তাজা প্রাণ
দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। এটি একদিনে গড়ে ওঠেনি বরং দিনে দিনে এটি গড়ে ওঠে এবং তা এখন ব্যাপকতা পেয়েছে। রাষ্ট্র ও সরকারের যথাযথ তত্বাবধান না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আর এর বলি হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। যার সর্বশেষ শিকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ৯০‘র স্বৈরাচার পতনের পর গত ২৯ বছরে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একের পর এক মেধাবী শিক্ষার্থীরা খুন হয়েছেন। সহপাঠীদের হাতে রাজনীতির ছত্রছায়ায় এসব হত্যাকান্ড ঘটেছে। আর এর সাথে ক্ষমতাশীন ছাত্র সংগঠনের সম্পৃক্ততা সব সময়েই মিলেছি যা সত্যি দুঃখজনক।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলুষিত ছাত্র রাজনীতির কারণে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের মুখোমুখি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করার কারণে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চলছেই। এটা একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও অগ্রসরমান রাষ্ট্রের সাথে কোন ভাবেই মেলে না। অথচ এই দুর্বৃত্তপনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কেবল এক একটি ঘটনার পর কিছু প্রতিশ্রুতি ছাড়া। আর সে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ সন্তানকে পাঠিয়ে যারা লাশ পেয়েছেন তাদের মনে যেক্ষোভ দুঃখ জমা হয়েছে তার বিন্দুমাত্র নিরসন হয়নি। সে কারণে ন্যায়বিচার নিয়ে চরম হতাশার কথাই ধ্বনিতে হয়েছে সন্তানহারা পিতা-মাতার কন্ঠে।
আবরার হত্যার বিচার হবে এবং খুনিরা কেউ ছাড়া পাবে না এমন কথা ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এরপর তো কোন সন্দেহ থাকবার কথা নয়। কিন্তু তারপরও ভরসা করতে পারছেন না অনেকে। এমন শংকা কেন? হয়তো গত ২৯ বছরে তেমন দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি না থাকায় কারণে। তবুও আস্থা ও বিশ্বাস নিয়েই আজ শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ দেশের সব শ্রেণীর মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইছেন, দাবি করছেন খুনিদের ফাঁসির। আর এই দাবিতে এখন বুয়েটসহ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। তাদের সে আন্দোলনে শিক্ষক প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা সমর্থন দিয়েছেন। তাই এই মূহুর্তে বলা যায় সন্ত্রাস মুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সবার প্রধান দাবি এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। সরকার ও রাষ্ট্রকে শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবকসহ সবার এই দাবির যৌক্তিকতা মেনে সে মতো ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আশা করি সরকারি উদ্যোগে সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করবে। শাস্তি ও স্বস্তি ফিরবে সমাজে।

অক্টোবর ১১
০৩:৫৬ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বঙ্গমাতার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গমাতার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

সানশাইন ডেস্ক : দেশের মানুষের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তাদের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

যেসব নিয়োগ পরীক্ষা আছে সামনে

যেসব নিয়োগ পরীক্ষা আছে সামনে

সানশাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের কারণে বেশ কিছু সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে গেছে। তবে অবস্থা স্বাভাবিক হলে সামনে এসব পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই পরীক্ষাগুলোর জন্য এই সময়ে আপনি নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন আরও ভালোভাবে। পিএসসির পরীক্ষা করোনাভাইরাসের কারণে বেশ কিছু পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। পিএসসি

বিস্তারিত