Daily Sunshine

নগরীতে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিলের অগ্রভাগে কে এই জাকির

Share

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজশাহী নগরের সবচেয়ে অপরাধ প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১৯ নম্বর ওয়ার্ড। অপরাধ ও অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলছে এলাকার নানা কর্মকান্ড। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধিরা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জুয়া ও মাদকের কারবার গড়ে তুলেছেন। এলাকায় একসময় ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত থাকলেও অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের ভাগে এরই মধ্যে এই চক্রটি দিব্বি কোটিপতি বনে গেছেন।
এ চক্রটির ব্যানারেই এবার ওই ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি মিছিল। সাধারণ মানুষের অনেকে না বুঝে সে মিছিলের ব্যানার দেখেই অংশ নিয়েছে। বুধবার নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মিচিলটি বের হয়ে নগর ভবন হয়ে আবার সদর খাদ্য গুদামের কাছে গিয়ে শেষ হয়। মহানগর যুবলীগ এ সংক্রান্ত কোনো কর্মসূচি এখনো গ্রহণ না করলেও য্বুলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ বাবুর নিজস্ব ব্যানারে এ মিছিলটি বের করা হয়। ব্যানারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে সরকারের চলমান দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনকে স্বাগত জানানো হয়। তবে এ মিছিলের অগ্রভাগে যারা নেতৃত্ব দেন তাদের বেশীর ভাগের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপরাধের অভিযোগ। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের টেন্ডারবাজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
মহানগর যুবলীগের একাধিক সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা আশরাফ বাবুর নেতৃত্বে নগরের শিরোইল কলোনী এলাকা থেকে দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী একটি র‌্যালি বের করা হয়। মিছিলের অগ্রভাগে দেখা যায় এ সবের হোতা হিসেবে পরিচিত মাদক কারবারী জাকির হোসেনকে। বিএনপি-জামায়াত শাসন আমলে তৎকালীন মনির কাউন্সিলরের হাত ধরে রাজশাহী নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড তথা সিরোইল কলোনী ও বনগ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকা মাদক, জুয়া, ছিনতাই ও অসামাজিক কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করতো এই জাকির। ২০০৮ সালের পর সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে অপরাধীদের অভয়াশ্রম খ্যাত এই ওয়ার্ডটিতে সাধারণ মানুষের মাঝে ধিরে ধিরে স্বস্তি ফিরতে শুরু করে। তবে এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেসী রাজনৈতিক নেতাদের করণে আবারো মাদক, জুয়াসহ সবধরণের অপকর্মের ডেরায় পরিণত হতে শুরু করেছে ওই ওয়ার্ডটি। এরই মধ্যে এই চক্রটি টেন্ডারবাজিসহ মাদক ও জুয়ার অবৈধ কার্মকান্ডে অল্পদিনেই ফুলে ফেঁপে উঠেছেন। বনে গেছেন কোটিপতি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিরোইল কলোনী, হাজরা পুকুর, ডাবতলা ও পাবনা পাড়া এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, জাকির এই এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও তার নিয়ন্ত্রণে এই এলাকাগুলোতে নিয়মিত বসে জুয়ার বোর্ড। সেই জাকিরকে এখন যুবলীগের বিভিন্ন সভা সমাবেশে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে নগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলী বলেন, ওয়ার্ডে কে কোন মিছিল করেছে তা জানা নেই। কেউ করে থাকতে পারে তবে তার সঙ্গে নগর যুবলীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কোন অপরাধী যুবলীগে স্থান হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

অক্টোবর ১০
০৪:০৩ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সানশাইন ডেস্ক : মহামারি কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যবস্থা। বৈশ্বিক এ মহামারির নিদারুণ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। অথচ এমন ঘোর অমানিশার মাঝেও আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন তিনি। তিনি-ই সম্প্রতি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে রেকর্ড গড়ার খবর দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মহামারিকালে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সানশাইন ডেস্ক : রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে সাহেদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা

বিস্তারিত