সর্বশেষ সংবাদ :

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের হুমকি রাবি ভোজনালয় শ্রমিকদের

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভোজনালয় শ্রমিক ইউনিয়নের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটে সুপারিশকৃত দাবিগুলো এক মাসের মধ্যে দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার ইউনিয়নের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বুধবার ভোজনালয় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হকসাদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩০ তম সিন্ডিকেট সভায় ভোজনালয় শ্রমিক ইউনিয়নের দাবিগুলো বিবেচনার জন্য অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন মিশ্রকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটি ভোজনালয়ের শ্রমিকদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের প্রচলিত বেতন স্কেলে চাকুরিবিধি প্রণয়নের সুপারিশ, সাধারণ কর্মচারীদের সিনিয়র এর ভিত্তিতে নিয়োগের ব্যবস্থা, কোটা সংরক্ষণের জন্য সুপারিশ করা হয়। কিন্তু নয় বছর অতিক্রম হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় চাকুরি স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় ভোজনালয় শ্রমিকদের বেতন ও এককালীন টাকা বৃদ্ধি ,ডাইনিং কার্ডমাস্টার বা ডাইনিং ম্যানেজার স্থায়ীভাবে নিয়োগ, ভোজনালয় শ্রমিকদের চতুর্থ শ্রেণিতে নিয়োগে ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের দাবি সুপারিশ করা হলেও আজও বাস্তবায়ন হয়নি । আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ দাবি গুলো বাস্তবায়ন না করা হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভোজনালয় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হকসাদ আলি বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো প্রশাসনের কাছে অনেক আগে উত্থাপন করেছি, দাবিগুলো সুপারিশকৃত হলেও তার বাস্তবায়ন এখনও হয়নি। আমরা অতিশিঘ্রীই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন চাই। না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবো। মঙ্গলবার আমরা দাবিগুলো পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে দিয়েছি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন বলেন, বর্তমানে আমাদের যে বেতন দেওয়া হয় তা দিয়ে আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে জীবনযাপন করা খুবই কষ্টকর হয়। শিক্ষার্থীদের সেবা করে জীবন যৌবন শেষ করে দিয়েছি। আর এই শেষ বয়সে এসে এককালীন যে টাকা দেয় বিশ^বিদ্যালয় তা দিয়ে কিছুই করা যায় না। তাই আমাদের একটাই দাবি বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে আমাদের যেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীতে অন্তর্ভূক্ত করে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, তাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে উপাচার্য দপ্তরে দিয়েছে বলে শুনেছি। উপাচার্য এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।


প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯ | সময়: ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ