সর্বশেষ সংবাদ :

ঈশ্বরদীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, যুবক আটক

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডায় ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ন্যাক্কার জনক এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তুষার (২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে পাকুড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তুষার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের বাদশা প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার দুপুরে ধর্ষক তুষারকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
দায়েরকৃত মামলার এজাহার এবং ধর্ষিতার চাচা এনামুল হক জানান, লক্ষীকুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী তার ভাতিজি স্কুলে যাতায়াতের সময় বখাটে তুষার ও তার দুই বন্ধু রনি ও শাকিল প্রায়ই উত্যক্ত করতো। বিষয়টি অভিভাবকের নিকট অভিযোগ জানালে তুষার, রনি ও শাকিল ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। এক পর্যায়ে গত ২ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘরের পেছনের জানালা ভেঙ্গে তুষার এবং তার দুই বন্ধু রনি ও শাকিল ঘরে প্রবেশ করে ওই স্কুল ছাত্রীর মূখ গামছা দিয়ে বেঁধে এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই এলাকার পশ্চিপাড়ার আমিন উদ্দিন বিশ্বাসের আমবাগানে নিয়ে গিয়ে রনি ও শাকিলের সহায়তায় লম্পট তুষার স্কুল ছাত্রীকে উপূর্যপরি ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় রবিবার ঈশ্বরদী থানায় তুষারকে প্রধান এবং রনি ও শাকিলকে আসামী করে ধর্ষণ মামলা দায়ের হলে পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে তুষারকে গ্রেফতার করে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ন্যাক্কার জনক এই ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মূল আসামী তুষারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯ | সময়: ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ