Daily Sunshine

তানোরে ময়নাতেই ভরসা তৃণমুলের

স্টাফ রিপোর্টার, তানোর : চলতি বছরের আগামী মার্চে ধাপে ধাপে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনে কে হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তা নিয়ে চলছে নানান জল্পনা। তবে তানোর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের দাবি কলমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নাকে দেয়া হোক দলীয় মনোনায়ন।
তৃণমুলের দেয়া তথ্য অনুযায়ি, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে ময়না যুবলীগকে এক শক্তিশালী সংগঠনে রূপ দিয়েছেন। ময়না সভাপতি হয়েই যুবলীগ শক্তিশালী। সে কারণে যুবলীগ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ এবং সাধারণ ভোটারের দাবি উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল করতে ময়নার বিকল্প প্রার্থী নেই বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।
তানোর পৌর যুবলীগের সভাপতি রাজিব সরকার হিরো জানান, উপজেলা নির্বাচনে ময়নার মত দক্ষ সংগঠকের বড় প্রয়োজন। তিনি যুবলীগকে এমন ভাবে সাজিয়ে রেখেছেন তার কথায় হাজার হাজার নেতাকর্মী হাজির হতে পারেন। বিগত দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকে মনোনায়ন দেয়া হলেও উদ্ধার হয়নি উপজেলা পরিষদ।
তিনি আরো বলেন, যুবলীগের জোরালো দাবি আগামী উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নাকেই করা হোক নৌকার মাঝি। তাকে করা হলে যুবলীগ সাংসদকে উপজেলাটি উপহার দিবে ইনশায়াল্লাহ।
জানা গেছে ২০০১ সালের আগে থেকেই সাংসদের সাথে রাজনীতিতে জোরালো ভূমিকা রাখেন ময়না। যার সুবাদে ২০০৩ সালে তিনি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এই নেতা। পরে এক প্রকার অনভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হন তিনি। অবশ্য একাধিক প্রার্থী থাকার কারনেই পরাজয় বলে মনে করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
এরপর রাজনীতিতে হাল না ছেড়ে ২০১১ সালে কলমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চমক লাগিয়ে বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যুবলীগ পায় ব্যাপক গতিশীলতা। যার কারনেই ২০১৬ সালে প্রথমবারেরমত দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২য় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ময়না। ২য় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে কলমা ইউপি এলাকাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপহার দিয়ে সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। ময়না এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনায়নের দাবি তুলেছেন।
তালন্দ ইউপির যুবলীগের সভাপতি রইচ উদ্দিন বাচ্চু জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ থেকে শুরু করে অঙ্গ সংগঠনকে গতিশীল করতে উপজেলা নির্বাচনে ময়নার বিকল্প দেখছিনা। কারণ দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকে দলীয় মনোনায়ন দিলেও পরাজিত হতে হয়। যার ফলে ময়নাকে দলীয় মনোনায়ন দিলে মনে হয় কোন বিভেদ থাকবেনা এবং উপজেলাটি সাংসদকে উপহার দেয়া যাবে। তারপরেও একটি কথা থেকে যায় আমরা কেউ নৌকার বাহিরে না, দল যাকে উন্নয়নের প্রতীক নৌকা দিবেন তার হয়েই কাজ করা হবে।
আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা জানান, নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততোই আলোচনায় চলে আসছেন ময়না। যেহেতু বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকে মনোনায়ন দিয়ে পরাজয়ের গ্লানি নিতে হয় দলকে। সুতরাং এবার তরুণ প্রজন্মের আস্থার প্রতীক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নাকে নৌকার মাঝি করা হলে উপজেলাটি উদ্ধার হবে। তাকে না দিয়ে অন্য কোন নেতাকে দিলে দলের মধ্যে বিভেদ দেখা দিতে পারে।
মনোনায়ন প্রত্যাশী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, যুবলীগের দায়িত্বে পেয়ে সংগঠনের প্রতিটি ইউনিটকে গতিশীল করেছি। দলের নেতারাই জানাচ্ছেন দলের বৃহত্তর স্বার্থে উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। কোন সময় দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে যায়নি। সেটাও সবাই অবহিত। দল যদি আমাকে মনোনায়ন দেন নিশ্চিত করে বলতে পারি উপজেলাটি সাংসদকে প্রথমবারের মত উপহার দেয়া হবে। তবে আমি দলের বাহিরে গিয়ে কিছুই করতে চাইনা। আমাকে যদি মনোনায়ন দেয়া নাও হয় যাকে দেয়া হবে তার হয়েই বিজয় নিশ্চিত করতে যা যা করনীয় সেটাই করা হবে।

জানুয়ারি ২৩
০৪:০৩ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আসাদুজ্জামান নূর : ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির প্রতি নেশা ছিল জুবাইদা খাতুন তন্বীর। ক্লাসের ফাঁকে, মন খারাপ থাকলে বা বোরিং লাগলে ছবি আঁকতেন তিনি। কারও ঘরের ওয়ালমেট, পরনের বাহারি পোশাক ইত্যাদি দেখেই এঁকে ফেলতেন হুবহু। এই আঁকাআঁকির প্রতিভাকে কাজে লাগিয়েই হয়েছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তুলির খোঁচায় পরিধেয় পোশাকে বাহারি নকশা, ছবি, ফুল

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

সানশাইন ডেস্ক : সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। এরপর অবসরের বয়স বাড়ানো হলেও প্রবেশের বয়স আর বাড়েনি। বেকারত্ব বেড়ে যাওয়া, সেশনজট, নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি

বিস্তারিত