Daily Sunshine

পদ্মা আবাসিকে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত পদ্মা আবাসিক এলাকা। এই এলকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে চলছে অবাধে অসামাজিক কর্মকান্ড। এদিকে বাড়ির মালিকদের জানিয়েও কোন সুরাহা হচ্ছে না। বাড়ির মালিকপক্ষ অতিরিক্ত ভাড়ার লোভে অসামাজিক কাজে লিপ্তদের বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সূত্রমতে, পদ্মা আবাসিক এলাকার ৫নং রোডের ৪ রুমের একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘ দিন থেকে সেখানে অসামাজিক কাজ চালিয়ে আসছিলো মনোয়ারা খাতুন নামের এক নারী দালাল। বিভিন্ন বয়সের যুবক-যুবতী তার সেই ভাড়া করা বাসায় এসে ঘন্টার পর ঘন্টা নিরিবিলি সময় কাটাতো। এছাড়া সে চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন বয়সের নারী সরবরাহ করে।
প্রায় তিন মাস আগেই স্থানীয়রা বিষয়টি টের পায়। এসময় তারা বাড়িটির প্রকৃত মালিক মজিবুল হককে জানান। তিনি নিজের এই বিশাল বাড়িটি ভাড়া দিয়ে উপশহরে ভাড়া থাকেন। তবে বিষয়টি জানার পরও অসামাজিক কাজে জড়িত থাকা এই ভাড়াটিয়াকে বাসা ছাড়ানোর বিষয়ে কার্যত কোন পদক্ষেপ নেননি। এদিকে সোমবার দুপুরে স্থানীয় যুবকেরা খবর পেয়ে সেই বাড়িতে থানা পুলিশের সহযোগীতায় তল্লাশি চালায়। খবর ছিল সেখানে দুইজন যুবক নারীদের নিয়ে প্রবেশ করেছে। এসময় তার বাড়ি থেকে পাঁচজন নারীকে পাওয়া গেলেও, সেই দুইজন যুবক ছাদ দিয়ে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেই পাঁচজন নারীকে চন্দ্রিমা থানা হেফাজতে রাখা হয়। পরে তাদের জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, বাড়িটিতে যে অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছিল তা এলাকাবাসীর মতো বাড়ির মালিকো জানতেন। তাকে এলাকাবসীই জানিয়েছিলো। জানার পরো তিনি এই ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদে কার্যত কোন পদক্ষেপ নেয়নি। সোমবার যখন এলাকাবাসী ভাড়াটিয়া মহিলাকে ধরে, তখন বাড়িওয়ালা দাবি করছে তাকে উঠে যেতে বলা হয়েছে। বাড়ির মালিক মজিবুল হকের দাবি ভাড়াটিয়াকে দীর্ঘদিন থেকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললেও সে বাড়িটি ছাড়েনি।
এদিকে চন্দ্রিমা থানার অফিস ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬জন নারীকে আটক করা হয়েছে। বাড়িওয়ালার দাবি তার বাড়ি এই ভাড়াটিয়ারা ছাড়তে চাইছে না। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

জানুয়ারি ২৩
০৪:০০ ২০১৯

আরও খবর