Daily Sunshine

‘জামায়াত, খুনিমুক্ত সংসদে জনগণ খুশি’

সানশাইন ডেস্ক: স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামী ও ২১ আগস্টের খুনিরা এবার সংসদে নেই বলে জনগণ খুশি। মন্তব্য আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদের। ৩০ ডিসেম্বরের ভোটে জয়ের আনন্দ উদযাপনে শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ‘বিজয় উৎসবে’ এ কথা বলেন তোফায়েল যিনি ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।
সমাবেশে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলেন, জনগণ এবার নির্বাচনের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিল। তারা জানেন, উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য তাই নৌকা মার্কায় ভোট পড়েছে। জামায়াত ও খুনিদের দোসরদের থেকে জাতীয় সংসদকে রক্ষা করার জন্য এই দিনটির অপেক্ষা করেছিল জনগণ।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অসামপ্ত কাজ অর্থনৈতিক মুক্তিকে তিনি (শেখ হাসিনা) সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এবার সংসদ হবে জামায়াত, খুনিমুক্ত। যারা খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করেছিল, জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য করেছিল; মানুষ তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছে। বঙ্গবন্ধুর ১৯৭০ সালের মতো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার দায়িত্ব দিয়েছেন। “৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বাংলার মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছে। গ্রামের মানুষ, মা-বোন ঐক্যবদ্ধ হয়ে সারিবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম মা কেন, আপনি ভোট দিতে এসেছেন? বলেছিলেন ‘শেখ হাসিনা আমাদের বয়স্ক ভাতাও দিচ্ছে’।”
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমি এ বিজয়কে অভিহিত করতে চাই, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের অদম্য আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে মানুষ শেখ হাসিনাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা যে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে বাংলার মানুষকে আলোর দিন দেয়ার জন্য এ বিজয় উপহার দেয়া হয়েছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানবতার বিজয় বলে ঘোষিত করা যেতে পারে।’
‘বছরের প্রথম দিন যে গ্রামে গ্রামে শিশুদের মাঝে নতুন বই উপহার দেয়া হয়, এ বিজয় তার প্রতিফলন। কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার বিনিময়ে এ বিজয়।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যারা লড়াইয়ের মাঠে আজকে হেরে গেছে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। বাংলার জনগণ মনে করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ভালোবাসায় তারা সিক্ত হয়েছেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের চেয়াম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে রঙবেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, বাদক দল, শোভাযাত্রা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসে নেতাকর্মীরা। রাজধানীর আশপাাশের জেলাগুলো থেকেও বাসভর্তি নেতাকর্মীরা আসেন। কোনো কোনো মিছিলের সামনে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। ঢাকা মহানগরের অন্তর্গত বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যদের অনুসারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সমাবেশস্থলের আশপাশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সাজে নিজেদের উপস্থাপন করেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অস্ত্র হাতে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজে সমাবেশস্থলের আশপাশে ঘোরাঘুরি করেন। তাদের ঘিরে সমাবেশে আশা কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। অনেক নিজেদের মোবাইল ফোনে ছবি তোলেন। ইঞ্জিনচালিত যানবহনে নৌকার তুলে সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পিকআপ ভ্যানে করে সাউন্ডবক্স লাগিয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার করা হয় এবং দলীয় বিভিন্ন গান বাজানো হয়। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি আনন্দও দেখা গিয়েছিল।
বেলা ১২টার মধ্যেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনতার ঢল নামে। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা উদ্যানের আশপাশের সড়কগুলোতে অবস্থান নেন। দুপুর থেকে মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলতে থাকে। গান পরিবেশন করেন দেশ বরেণ্য শিল্পীবৃন্দ। তাদের অন্যতম ছিলেন রফিকুল আলম, ফাহমিদা নবী, জানে আলম, মমতাজ, আঁখি আলমগীর, সালমা, জলের গানের শিল্পী, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী থিম সং ‘জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা’ গানের শিল্পীরাও গান পরিবেশন করেন।

জানুয়ারি ২০
০৩:৪৭ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আসাদুজ্জামান নূর : ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির প্রতি নেশা ছিল জুবাইদা খাতুন তন্বীর। ক্লাসের ফাঁকে, মন খারাপ থাকলে বা বোরিং লাগলে ছবি আঁকতেন তিনি। কারও ঘরের ওয়ালমেট, পরনের বাহারি পোশাক ইত্যাদি দেখেই এঁকে ফেলতেন হুবহু। এই আঁকাআঁকির প্রতিভাকে কাজে লাগিয়েই হয়েছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তুলির খোঁচায় পরিধেয় পোশাকে বাহারি নকশা, ছবি, ফুল

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

সানশাইন ডেস্ক : সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। এরপর অবসরের বয়স বাড়ানো হলেও প্রবেশের বয়স আর বাড়েনি। বেকারত্ব বেড়ে যাওয়া, সেশনজট, নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি

বিস্তারিত