Daily Sunshine

চরের সড়কে ভরসা বাইকার শামিম

স্টাপ রিপোর্টার : বৃহস্পিতিবার দুপুর ১২টা। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আশাড়িয়াদহ নদী তীরে তখন বড় দুইটি নৌকা থেকে প্রায় ৩০জন বিভিন্ন বয়সের যাত্রী নমলো। নদীতে চর পড়ায় প্রায় মাঝ নদীতেই নৌকা থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেয় হলো। এখান থেকে নদীর কিনারা প্রায় দুই কিলো মিটার, আর মূল গ্রাম আরো প্রায় ৬ কিলো মিটার দূরে।
নদীর বুকে একদল যুবক নিজ নিজ মোটরসাইকেল নিয়ে দাড়িয়ে রয়েছে। তাদের সকলেরই চোখ নৌকা থেকে নামা যাত্রীদের দিকে। এদিকে নৌাকার যাত্রীরাও এগিয়ে গিয়ে নিজেদের মতো সেই মোটরসাইকেলগুলোতে চড়ে সবলো। আর ওমনি চালকেরা দুরন্ত গতিতে সেই মোটরসাইকেলগুলো নিয়ে ছুটে চললো। আর পুরো চর ধুলোর ধোয়ায় ছেয়ে গেলো। নদীর পর গ্রামে প্রবেশ করতেই সরু কঁচা রাস্তা। আবার কোথাও সেই রাস্তাটুকুও নেই, রয়েছে জমির সরু আল। তবে দক্ষ মোটরসাইকেল চালকেরা সেই সুরু রাস্তা ও বালি উপেক্ষা করে আপন ছন্দে পর্যায়ক্রমে ছুটে চলেছে।
সেই মোটরসাইকেল চালকদের একজনের নাম শামিম। তার সাথে কথা বলে জানাগেল, শামিমের মতো এখানকার প্রায় ২০ থেকে ২৫জন যুবক নৌকা থেকে নামা যাত্রীদের আপন গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কাজ করেন। আর দিন শেষে এভাবে যা আয় হয় তা দিয়েই চলে তাদের সংসাস।
শামিম জানায়, সে আগে রাজমিস্ত্রিরির কাজ করতো। তবে সেই পেশায় সুবিধা করতে না পেরে, নিজের জমান টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনে এখন নদী পথের যাত্রীদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কাজ করছেন। এভাবে প্রতি টিপে সে একশত টাকা আয় করে।
তবে বর্ষায় এই পেশা ধরে রাখা যায় না। কারণ তখন নদীতে পানি পূর্ণ থাকায় যাত্রীদের কষ্ট করে তীরে আসতে হয় না। আবার এসময় কাদা-পানির কারণেও মোটরসাইকেল চালান যায় না। আর চালালেও সে অনুপাতে আয় হয় না। তখন শামিমের মতো মোটরসাইকেল চালকদের অন্য পেশার জন্য ঘুরে বেড়াতে হয়।

জানুয়ারি ১৮
০৩:২৮ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীর শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে মাস্তুল আকৃতির মজবুত দুইটি পোল। প্রতিটি পোলের উপর রিং বসিয়ে তার চতুরদিকে বসানো হয়েছে উচ্চমানের এলইডি লাইট। আর সেই লাইটের আলোয় আলোকিত বিস্তৃত এলাকা। শুধু শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বর নয়, এভাবে মহানগরীর আরো গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি চত্বর আলোকিত হয় প্রতি

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সানশাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থগিত ছিল সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ কয়েক মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পায়নি দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী। অংশ নিতে পারেনি কোনো নিয়োগ পরীক্ষাতেও। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরির আবেদনে সুযোগ শেষ হয়ে যায় তাদের। তবে এ দুর্যোগকালীন

বিস্তারিত