Daily Sunshine

পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবে রাজশাহীর আদালত ভবনের বেহাল দশা

শেখ রহমত উল্লাহ : পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবে রাজশাহী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের এখন বেহাল দশা। আদালত ভবনে ঢুকতেই চোখে পড়ে বিভিন্ন ধরনের ময়লা আবর্জনা। হেল্পডেস্ক আর লিফটের সামনেও দেখা যায় একই চিত্র। ভবনটিতে প্রবেশের জন্য তিনটি সিড়ি থাকলেও সপ্তাহের কোন দিন ঝাড়ু দেয়া হয় না বলে জানান অনেক মোহরার ও বিচার প্রার্থী।
শুধু ভবনটির শিড়ির যে বেহাল দশ এমনটি নয়, বরং আটতলা বিশিষ্ট এ ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে আদালতের কর্মচারী এবং বিচার প্রার্থীদের জন্য জরুরি প্রয়োজন সারতে টয়লেটের ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলো এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে জানান একাধিক বিচার প্রার্থী ও মহরার।
খবর নিয়ে জানা যায়, আদালত ভবনটির বিভিন্ন ফ্লোরে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে নেজারত শাখা মুন্সিখানা, রেকর্ডরুম, হিসাব শাখা, প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্য্যালয়, ৯টি এজলাস এবং ৯টি চেম্বার। যার প্রতিটিতে ১টি করে টয়লেট রয়েছে, প্রতি ফ্লোরের সামনে ও পেছনে ২টি বারান্দা ও একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে।
ভবনটির প্রতিটি জায়গা ঘুরে দেখা যায় ময়লা আবর্জনার স্তুপ, পচা দূর্গন্ধ ও অপরিষ্কার টইলেট। সপ্তাহের পাঁচ দিন রাজশাহীর আদালত পাড়া থাকে কর্মব্যস্ত। সকাল থেকে শুরু হয় এ ব্যস্ততা। দিন গড়ালেই বিচার প্রার্থী, মোহরার, আইনজীবী, পেশকার, নাজির, পিয়নসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে আদালত পাড়া। কিন্তু প্রতিনিয়তই বিভিন্ন অবহেলার শিকার হতে হয় এ আদালত ভবনের কর্মরত ব্যক্তি ও বিচার প্রার্থীদের।
আদালতের প্রতিটি ফ্লোরে টয়লেট ওয়াশরুমের দিকে তাকালেই দেখা যায় ট্যাপ দিয়ে পানি ঝরার অবিরত দৃশ্য।
আর টয়লেটের বাইরে রয়েছে ফ্রেশ রুম। সেগুলো শ্যাওলা পড়ে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে গেছে সেগুলো। টয়লেট থেকে বের হয়ে আসা একজন বিচার প্রার্থী বলেন, টয়লেটের ভেতরে প্রচুর দূর্গন্ধ, ভেতরে প্রায় অসুস্থ হওয়ার দশা, এটা পরিষ্কার করা দরকার।
এ ব্যাপারে আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আটতলার এ বিশাল ভবনে রয়েছে একজন মাত্র সুইপার। আমার ধারনামতে দুই সপ্তাহ পরপর পরিষ্কার করা হয়। তিনি আরও বলেন, গত মার্চ মাসের দিকে তিনজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য আইন-মন্ত্রনালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলাম কিন্তু এখনো কোনো উত্তর পাইনি।

জানুয়ারি ১৭
০৩:৪৭ ২০১৯

আরও খবর