Daily Sunshine

মান্দায় হতদরিদ্রের জন্য নির্মিত হয়েছে ৫ শতাধিক বসতবাড়ি

মান্দা প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় ৫ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার পেয়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে এক লাখ টাকার একটি করে বসতবাড়ি। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘জমি আছে, ঘর নেই’ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে উপকারভোগীরা পাচ্ছেন ২৯৭ বর্গফুটের বারান্দাসহ টিনের একটি ঘর। আর পাশেই থাকছে টয়লেট। প্রতিটি বাড়ির উপকরণসহ নির্মাণ ব্যয় এক লাখ টাকা।
মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রকৌশলী ও সংশ্লিস্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
সংশ্লিস্ট সুত্র জানায়, যে সকল ব্যক্তির এক থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে, কিন্তু ঘর নেই অথবা থাকলেও জরাজীর্ণ বা বসবাসের অনুপযোগী এমন দুস্থ ব্যক্তি, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী, উপার্জন অক্ষম ব্যক্তি, ভিক্ষুক, অতি বার্ধক্য ব্যক্তি এ প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।
ঘাটকৈর গ্রামের সেফালি রানী প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর পেয়ে অত্যন্ত খুশি। সেফালি রানী বলেন, এতদিন মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না। খড়ের ছাউনি আর তালপাতার বেড়ায় নির্মিত গৃহে পরিবার পরিজন নিয়ে ঝড়-বৃষ্টিতে অবর্ননীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
বড়বেলালদহ গ্রামের হামিদুর রহমান জানান, পৈত্রিকসুত্রে পাওয়া সামান্য জমিতে ঘর নির্মাণ করার সামর্থ্য আমার ছিল না। সরকার ঘর নির্মাণ করে দেয়ায় আমার সেই কষ্ট দুর হয়েছে। এতে আমি খুব খুশি। প্রকল্পটি চালু রাখলে আমার মত দরিদ্র পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে।
গনেশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হানিফ উদ্দিন মন্ডল জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে পরিষদের সদস্যদের দিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পরে সেসব তালিকা যাচাই-বাছাই করে সঠিক ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ঘরগুলো নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। গনেশপুর ইউনিয়নে ৪০ জন গৃহহীন পরিবার এ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছেন বলে উল্লেখ করে তিনি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে ৫২৯ পরিবার প্রকল্পের পুরো সুবিধা ভোগ করতে শুরু করেছেন। প্রকল্পের নির্দেশিত ডিজাইন ও প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঘরগুলো নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সকল সদস্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে আর কোন ব্যক্তি বা পরিবার আর গৃহহীন থাকবে না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে উপকারভোগী যাচাই-বাছাই ও গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

জানুয়ারি ১৪
০২:৫৯ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সাহস সংগ্রাম নেতৃত্বে অবিচল

সানশাইন ডেস্ক : মহামারি কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যবস্থা। বৈশ্বিক এ মহামারির নিদারুণ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। অথচ এমন ঘোর অমানিশার মাঝেও আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন তিনি। তিনি-ই সম্প্রতি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে রেকর্ড গড়ার খবর দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মহামারিকালে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সানশাইন ডেস্ক : রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে সাহেদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা

বিস্তারিত