Daily Sunshine

বাগমারায় আমনের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষক

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: বাগমারায় আমন ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ছে কৃষক। তাদের উৎপাদিত ফসলের লাভ চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগির পকেটে। অপরদিকে ধারদেনার কবলে পড়ে উৎপাদনে বিমূখ হয়ে পড়ছে কৃষক।
খামারগ্রামের কৃষক মঞ্জুর রহমান জানান, আগে আমি ১২ একর জমিতে আমন উৎপাদন করলেও এখন পরিবারের খোরাকের জন্য মাত্র ৭০ শতক জমিতে ধান উৎপাদন করছি। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, ফসল উৎপাদন করি লাভের আশায়। আর সেই লাভ যদি দায়দেনা পরিশোধ ও ঋনের কিস্তি দিতে চলে যায় তা হলে আর ফসল (ধান) উৎপাদন করে কী লাভ?
২০১৮-১৯ আমন মৌসুমে এ উপজেলায় বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত মৌসুমের তুলনায় এ মৌসুমে ১ হাজার মেট্রিক টন ধান বেশি উৎপাদিত হয়েছে। কৃষকদের তথ্য মতে, প্রতি মণ ধান ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচও তুলতে পারেন না কৃষকরা।
মাড়িয়ার কৃষক লুৎফর রহমান জানান, এ মৌসুমে ৮ একর জমিতে ধান উৎপাদন করেছি। প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ পড়েছে ৭৫০ টাকা। বিক্রয় করেছি মাত্র ৫৫০ টাকা দরে। লোকসানে বিক্রয় না করে উপায় নেই। সার কীটনাশক বাবদ দোকানে এখনও ৩০ হাজার টাকা বাঁকি।
উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, কৃষক যখন ধান বিক্রয় করে তখন ধানের মূল্য থাকে ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আবার কৃষক যখন ধান কিনতে যায় তখন ধানের মূল্য ১২শ থেকে ১৪শ তে দাঁড়ায়। এই অবস্থা থেকে উত্তোরনের জন্য সরকারকে প্রতিটি ইউনিয়নে ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় করলে তবেই প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মাদ আলী জানান, সরকার সরাসরি স্থানীয় কৃষকের নিকট থেকে ফসল ক্রয় করলে প্রান্তিক কৃষক লাভবান হবে।

জানুয়ারি ১৪
০২:৪৮ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

আলোকিত সিটি পেয়েছেন মহানগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীর শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে মাস্তুল আকৃতির মজবুত দুইটি পোল। প্রতিটি পোলের উপর রিং বসিয়ে তার চতুরদিকে বসানো হয়েছে উচ্চমানের এলইডি লাইট। আর সেই লাইটের আলোয় আলোকিত বিস্তৃত এলাকা। শুধু শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান চত্বর নয়, এভাবে মহানগরীর আরো গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি চত্বর আলোকিত হয় প্রতি

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সরকারি চাকরি প্রার্থীর বয়সে ছাড়

সানশাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সাধারণ ছুটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থগিত ছিল সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ কয়েক মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পায়নি দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী। অংশ নিতে পারেনি কোনো নিয়োগ পরীক্ষাতেও। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরির আবেদনে সুযোগ শেষ হয়ে যায় তাদের। তবে এ দুর্যোগকালীন

বিস্তারিত