Daily Sunshine

এমপি ফারুক চৌধুরীকে মন্ত্রী দেখতে চায় তানোর গোদাগাড়ীবাসী

আসাদুজ্জামান মিঠু : জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সম্মানে হলেও রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সদ্য নির্বাচিত এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে মন্ত্রী করার জোর দাবি তুলেছেন আসনটির আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার ৩ জানুয়ারি নির্বাচিত প্রার্থীরা এমপি হিসেবে শপথ গ্রহণও শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজশাহীসহ তানোর-গোদাগাড়ী এলাকার মানুষ জোরেসরেই এমন দাবি তুলেছে। তার মন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষায় অধীন আগ্রহে অপেক্ষা করছে দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ১০ লাখ মানুষ।
এলাকাবাসীর দাবি রাজশাহী-১ আসনটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। এই আসন হতে যারা নির্বাচিত হন তারা মূলত মন্ত্রীত্ব পেয়েই থাকেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান এই আসন হতে নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। এই এলাকায় উন্নয়নে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অতুলনীয়। পরবর্তিতে ১৯৯১ সালে বিএনপি হতে নির্বাচিত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক নির্বাচিত হলে প্রতি মন্ত্রী ও ২০০১ সালে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুণ্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান এই আসন হতে নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শহিদ হয়েছেন দেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, তবে তার অনেক স্মৃতি ও আদর্শ আমাদের মধ্যে আছে। রাজশাহীর মানুষ ও তানোর-গোদাগাড়ীবাসীর আজ তার সম্মানে হলেও এ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী ওমর ফারুক চৌধুরীকে মন্ত্রী করার জোর দাবি জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বদিউজ্জামান বলেন, রাজশাহী-১ আসনের যোগ্য নেতৃত্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এছাড়ও তিনি শহিদ পরিবারের সন্তান তার নেতৃত্বে এলাকা শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। আগামী দিনে রাজশাহীর ব্যাপক উন্নয়ন ও বৃহত্তর আওয়ামী লীগের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে মন্ত্রীত্বের বিকল্প নাই। তাই ওমর ফারুক চৌধুরীকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট মন্ত্রী করার জোর দাবি জানান।
তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, জাতীয় নেতা এএইচএম কামারুজ্জামানের আপন ভাগ্নে ওমর ফারুক চৌধুরী। ফারুক চৌধুরীর বাবাও মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী নৃ-শংসভাবে হত্যা করে ফলে তিনিও একজন শহিদ পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচিত লাভ করে। তারই মামাতো ভাই রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অপর দিকে ওমর ফারুক চৌধুরী রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। দুই ভায়ের উপরই রাজশাহীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে সংগঠন। ২০১৪ সালেরর নির্বাচনে ওমর ফারুক চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় এমপি নির্বাচিত হলে এলাকার স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাটসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের ব্যাপক ভূমিকা রাখেন তানোর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও কলমা ইউপি চেয়াম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় কোন্দলে কিছু বিষয় সমালোচিত হলে সব কিছুকে পেছনে ফেলে তিনি আবারও শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে। দলীয় সব কোন্দল নিরসন করে তিনি সকল পর্যায়ের নেতাদের সাথে নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এক সময়ের ক্ষমতাধর মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আমিনুল হকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় ৯০ হাজার ভোট বেশী পেয়ে আমিনুল হককে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন।
তানোর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম বলেন, বিএনপি জোট সরকারে আমলে রাজশাহীতে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়। এর মদদদাতা ছিলেন জোট সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আমিনুল হক। এ আসনে গত ১০ বছর ধরে ওমর ফারুক চৌধুরী নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বকালে তানোরবাসীকে জঙ্গিমুক্ত করেছে।

জানুয়ারি ০৫
০৩:৩৭ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আসাদুজ্জামান নূর : ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির প্রতি নেশা ছিল জুবাইদা খাতুন তন্বীর। ক্লাসের ফাঁকে, মন খারাপ থাকলে বা বোরিং লাগলে ছবি আঁকতেন তিনি। কারও ঘরের ওয়ালমেট, পরনের বাহারি পোশাক ইত্যাদি দেখেই এঁকে ফেলতেন হুবহু। এই আঁকাআঁকির প্রতিভাকে কাজে লাগিয়েই হয়েছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তুলির খোঁচায় পরিধেয় পোশাকে বাহারি নকশা, ছবি, ফুল

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

সানশাইন ডেস্ক : সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। এরপর অবসরের বয়স বাড়ানো হলেও প্রবেশের বয়স আর বাড়েনি। বেকারত্ব বেড়ে যাওয়া, সেশনজট, নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি

বিস্তারিত