Daily Sunshine

শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান

শৈত্য প্রবাহে দুর্ভোগে মানুষ
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে চলা শৈত্য প্রবাহের তীব্রতা আবার বেড়েছে। গত দু’দিন উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছিল ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রীতে এর আগের দিন ছিল তা ৪.৯ ডিগ্রীতে। কার্যত: উত্তরের পঞ্চগড় দিনাজপুর ঠাকুরগাও এবং এর পাশের এলাকাগুলো পড়েছে তীব্র শৈত্য প্রবাহের কবলে। রাতের বেলায় পড়ছে ঘন কুয়াশা বইছে দিনভর হিমেল হাওয়া। এতে করে ওই সব এলাকার স্বাভাবিক জনজীবন সম্পূর্ণ ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। রাজশাহী পাবনা জেলাসহ এই বিভাগের অধিাকংশ এলাকা এখন মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্য প্রবাহের কবলে রয়েছে। গতকাল রাজশাহীর তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে যায়। এর আগের দিন ছিল সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রীতে। অর্থাৎ এখানে মাঝারী মাত্রার শৈত্য প্রবাহ বয়ে চলেছে।
উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের উপর দিয়ে চলা এই শৈত্য প্রবাহ গত এক সপ্তাহ কাল ধরেই বয়ে চলেছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে বলা হয়েছে খবরে। সেই সাথে আসছে সপ্তাহে এর মাত্রা আরো বাড়বে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরে বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে। অর্থাৎ বৈরী আবহাওয়া আরো কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে। আর এখন তীব্র শৈত্য প্রবাহের কারণে পঞ্চগড়ের মতো দেশের অন্যান্য জেলাতেও সহায় সম্বলহীন মানুষ দারুন কষ্টে পড়েছেন। একটা গরম কাপড়ে আকুতি তাই এসব অসহায় মানুষের কণ্ঠে। তাদের সেই সহায়তা দেয়া জরুরী বলে আমরা মনে করি।
সরকারি ভাবে ইতোমধ্যে যে সহায়তা দেয়া হয়েছে, আর গত দু’দিন পঞ্চগড়ের দুঃস্থদের মাঝে গরম কাপড় দেয়া হয়েছে এবং অন্যান্য স্থানেও দেয়া হয়েছে ও হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে খবরে বলা হয়েছে। তাই সাহায্যের পরিমাণ বাড়তে হবে, সেই সাথে এগিয়ে আসতে হবে শীতার্ত মানুষদের বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদেরও। আমরা আশা করি সরকারি সহায়তা বাড়ানো হবে এবং অন্যরাও এগিয়ে আসবেন দুঃস্থদের কল্যাণে।

জানুয়ারি ০৪
০৩:০২ ২০১৯

আরও খবর