Daily Sunshine

ওদের রক্তে শিবির মুক্ত রাবি ক্যাম্পাস

Share

কৌশিক আহমেদ : আমিও তৃণমূল থেকে ছাত্রলীগ করে এসেছি। ২০০৫ সালে ধর্মপুর ডিগ্রি কলেজ (গাইবান্ধা), শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। তখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। সে সময় ছাত্রদল, ছাত্র শিবিরের রক্তচক্ষু দেখেছি। অসংখ্যবার বিএনপি জামাতের পেটুয়া পুলিশের হাতে নির্যাতিত হয়েছি, অন্ধকার ঘরে বন্দি থেকেছি। ছাত্রলীগ করা এত সহজ ব্যাপার না, ছাত্রলীগ করলে বুকের পাটা থাকতে হয়। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে নিজে হুমকির স্বীকার হয়েছি, অনেক সময় অনেকের দাবার গুটিও হয়েছি আর দেখেছি সরকার দলীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মী কিভাবে রক্ত ঢেলে দেয়। ছোটভাই Togor Md Saleh এর হাত পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়, বন্ধু M Atiqur Rahman Sumon শিবিরের সাথে যুদ্ধ করে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে, বন্ধু প্রতীম Touhid Tuhin এর হাত পায়ের কেটে দেয় শিবির, ছাত্রলীগ নেতা মাসুম পঙ্গু হয়ে পরে আছে। এ রকম অসংখ্য নেতা কর্মী আছে তাঁদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির মুক্ত করার মধ্যে তাঁদের কি এমন ব্যক্তিস্বার্থ ছিলো? ওরা রক্ত দিয়ে রাবি ক্যাম্পাস শিবির মুক্ত করেছিল। ওদের বদৌলতে বামাতি চামাতিরা ক্যাম্পাসে নির্বিঘ্নে বিড়ি ফুঁকার সুযোগ পাচ্ছে। নইলে এতদিন কতজনার গর্দান চলে যেত।
সুতরাং রাবি ক্যাম্পাসে ওদের অধিকার আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্যান্যদের নিয়োগের সাথে ছাত্রলীগ একটু সুবিধা নিয়েছে তাতে কি হয়েছে। এর আগে তো বিএনপি জামাত হাজার অধিক দলীয় নিয়োগ দিয়েছে তাতে তো কোন কথা ওঠেনি। আপনারা যে যার গ্রুপ বা ইজমেরই হন না কেন, দয়া করে আমার এতিম ছাত্রলীগ ভাইদের চাকরি নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগের দুর্দিনের আশ্রয়স্থল, দয়া করে বিষয়টি বিবেচনায় রাখবেন।

লেখক : শিক্ষক, সঙ্গীত বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

 

মে ০৯
০২:২২ ২০২১

আরও খবর