Daily Sunshine

বাঘায় খাল খনন দাবি

Share

নুরুজ্জামান, বাঘা: দকৃষক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে রাজশাহীর বাঘায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল খননের দাবিতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে উপজেলা কৃষকলীগের আয়োজনে খাল খনন দাবিতে মানব বন্ধনে এলাকার শত-শত নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করেন।

বেলা ১১ টায় বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ গ্রহন করেন নওটিকা, আরিপপুর, বেলগাছি, বারখাদিয়া, হিজোল পল্লী ও তেপুখুরিয়া সহ ৬ টি বিল এলাকার শত-শত কৃষক ও নারী পুরুষ।

সভায় শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি প্রভাবশালী মহলের দায়ের করা মামলা ও বাধার মুখে প্রায় আড়াই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত (বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের) খাল খনন প্রকল্প। ফলে জলাবদ্ধতায় তলিয়ে রয়েছে প্রায় ৩ শ’ বিঘা জমির ধান সহ অন্যন্য ফসল। অথচ এ প্রকল্পটির ফলক উন্মোচন করেছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও বর্তমান সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

সভায় খাল খনন প্রকল্প এলাকা বাজুবাঘা ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, উপজেলার মশিদপুর পদ্মা নদীর মুখে রয়েছে একটি সুইজ গেট। সেখান থেকে শুকনো মৌসুমে বিলে পানি রাখা এবং বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি নিস্কাশনের জন্য স্থানীয় সাংসদের কাছে থেকে সুপারিশ নিয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটি প্রকল্প অনুমোদন নিয়ে গত প্রায় আড়াই বছর পূর্বে ৭ টি ভাগে জায়গা ভাগ করে খাল খনন কাজ শুরু করা হয়।

এ প্রকল্পে ১০০ ভাগ কাজের মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্য করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং কতিফয় ব্যাক্তির বাধা ও আদালতে ডোবাকে ধানী জমি উল্লেখ করে মামলা করায় এ কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। তিনি এ বিষয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

আয়োজিত মানব বন্ধনে অন্যদের মধ্যে ছিলেন, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, বাঘা পৌর কৃষক লীগের সভাপতি বাদশা আলম ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান মিলন সহ এলাকার শত-শত কৃষক ও নারী পুরুষ।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, এ এলাকায় নদীর সাথে বিলকে সম্পৃক্ত করে গত আড়াই বছর পূর্বে সরকারিভাবে খাল খনন শুরু করা হয়েছিল। মোট ৮ কিলোর মধ্যে ৬ কিলো খনন শেষে হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু মানুষ খাল খননে বাধা দেয়া সহ আদালতে মামলা করায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, সরেজমিন জলাবদ্ধতায় নিমর্জিত বিলগুলো পরিদর্শন করেছি। একদিকে খাল খনন বন্ধ, অন্য দিকে অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন করায় কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তার মতে, জনসার্থে খালটির খনন সম্পন্য করা খুবই জরুরী।

 

 

 

 

 

সানশাইন/১২ সেপ্টেম্বর/রনি

সেপ্টেম্বর ১২
২০:২০ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]