Daily Sunshine

উৎসব নয় , দোয়া ও আলোচনার মধ্য দিয়ে বঙ্গমাতার জন্মদিন পালন : লাভলু

Share

নুরুজ্জামান,বাঘা : জন্মদিনে মানুষ আনান্দ করে। করে বড় ধরনের উৎসব । কিন্তু আমরা এমন একজন মহিয়সী নারীর জন্মদিন পালন করছি যেখানে নেই কোন আনান্দ। নেই কেক কাটার আয়োজন। নেই কোন উৎসব। কারণ এটি শোকের মাস। এ মাসে আমরা হারিয়েছি একজন বঙ্গবন্ধু সহ তাঁর আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী বঙ্গমাতাকে। যার জন্ম না হলে আমরা আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পারতাম না।

রবিবার(৮  আগষ্ট)সকালে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার ৯১ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো ব্যক্ত করেন বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এড: লায়েব উদ্দিন লাভলু।

সকাল ১১ টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ দাসের সঞ্চালনা ও বাঘা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মনিরুজ্জামান, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মন্টু, অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সম্মানীত সদস্য মাসুদ রানা তিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির, মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম ও বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ।

উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া আজিজ সরকার, বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র শহিনুর রহমান পিন্টু, উপজেলার সকল দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি সহ সুশিল সমাজের নেত্রীবৃন্দ ।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাঙালির সকল লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১ তম জন্মবার্ষিকী আজ। এই মহিয়সী নারী ১৯৩০ সালের এই দিনে (৮ আগস্ট) ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। এক ভাই-দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট ।

বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ আপোষহীন লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ধীরে-ধীরে শুধুমাত্র বাঙালি জাতির পিতাই হননি, বিশ্ব বরেণ্য রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তাঁরই সহধর্মিণী, মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বেগম মুজিব তার পিতা-মাতাকে হারান এবং ১৯৩৮ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুধু সহধর্মিণীই ছিলেন না, ছিলেন সহযোদ্ধা ও কর্মপ্রেরণাদাত্রী।

এই ত্যাগী নারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জাতির সেবায় মনোনিবেশ করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলে আমরা আজ বাংলা ভাষায় কথা বলা সহ স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পেরেছি। আমরা বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু সহ ঐ পরিবারের সাহাদত বরণ করা সকলের আত্নার মাগফিরাত ও দোয়া কামনা করছি।
আলোচনা শেষে উপজেলা মহিলা বিষয়ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সমাজের ২০ অসচ্ছল পরিবারকে স্বচ্ছতায় ফিরিয়ে আনার লক্ষে তাদের মাঝে শেলাই ম্যাশিন বিতরণ করা হয়।

আগস্ট ০৮
১৪:৫০ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]