Daily Sunshine

333 নম্বরে কল দিলে পাওয়া যাচ্ছে সরকারী খাদ্য সহায়তা

Share

নুরুজ্জামান,বাঘা : করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় জীবন-জীবিকা নিয়ে উভয় সংকটে পড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। সংক্রমন ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় ফের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। চলছে একাধারে লকডাউন।এ পরিস্থিতিতে সঞ্চয় ভেঙ্গে খাওয়া মানুষদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে প্রায়।ফলে দীর্ঘদিন ঘরবন্দী হয়ে থাকা মানুষের জন্যে জাতীয় শর্টকোড নম্বর ৩৩৩ এ কল করলে পাওয়া যাচ্ছে সরকারি খাদ্য এবং ত্রাণ সহায়তা।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য সহায়তা পেতে যে কেউ ৩৩৩ নম্বরে ফোন করলে তাকে তালিকাভুক্ত করে তার বাড়িতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে । এ দিক থেকে সীমান্তবর্তী রাজশাহীর বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে কলকরে ইতোমধ্যে 160 টি পরিবার খাবার পেয়েছেন। বর্তমানে পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে । যারা এ তালিকায় অন্তরভুক্ত হতে চান, তাদের কে ধার্যকৃত নম্বরে কল দেয়ার আহবান জানিয়েছেন নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা।

অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে , সরকার ৩৩৩ নম্বরে এই সেবাটি চালু করার পর থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক কল আসছে।এর মধ্যে করোনা বিষয়ে সাহায্য চেয়েই বেশি কল আসছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অ্যাকসেস টু-ইনফরমেশন (এটুআই) এর সিনিয়র পলিসি ফেলো আনির চৌধুরী । তিনি গনমাধ্যম কর্মীদের বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সম্প্রতি তারা এই সেবাটি চালু করেছেন। গত সপ্তাহ থেকে খাবার চেয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষধিক কল এসছে। পরে কয়েকজন কল সেন্টার স্টাফকে দিয়ে একটি ডেডিকেটেড উইং চালু করা হয়েছে । যেখানে কল আসলে কলটি সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং তারাই নির্দিষ্ট ওইসব পরিবারকে খাবার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে সমাজের অভিজ্ঞ মহলের সাথে কথা বললে তারা বলেন, করোনার দীর্ঘায়িত প্রভাবে ক্রমেই নি:স্ব হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। তাদের আয় কমে যাচ্ছে। জীবন রক্ষার তাগিদে জীবিকা হারাচ্ছে অসংখ্য দুস্থ । এদের কেউই তথ্য সেবা বোঝে না। বোঝেনা 333 নম্বরে কি ভাবে কল দিয়ে কথা বলতে হয়। লোকমুখে খবর পেয়ে অনেকেই তাদের সন্তান কিংবা প্রতিবেশী শিক্ষিতদের মাধ্যমে ইতোমধ্যে কল দিয়ে খাদ্য পেয়েছেন। তাদের মতে, কোনো রকম প্রচারণা ছাড়াই যে অবস্থা চালু হয়েছে। এদিক থেকে মাইকিং করে প্রচারণা হলে তখন না জানি কি পরিস্থিতি দাঁড়াবে !

বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ্ সুলতান বলেন, করোনার দীর্ঘায়ীত প্রভাবে সাধারন মানুষের আয় কমে গেছে। বিপাকে রয়েছেন ব্যবসায়ী মহল। এ ভাবে ক্রয় ক্ষমতা কমলে দেশের অর্থনীতিতে
নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ফলে শুধু উৎপাদনকারী ক্ষতিগ্রস্থ হবেনা, সরকারের রাজস্ব আদায়ও কমে যাবে। তাঁর মতে, এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে মানুষকে সচেতন হওয়া এবং সুরক্ষিত থাকার কোন বিকল্প নেই।

আগস্ট ০১
০৯:৩৮ ২০২১

আরও খবর

[TheChamp-FB-Comments]